শনিবার ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

Logo
Add Image

জেলা খবর

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তার চাঁদা দাবির অভিযোগ

প্রকাশিত: ২০২৫-০২-২৬ ১৮:৩৭:২৭

News Image

ফিরোজ ফরাজী, রাঙাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (সহকারি তহশিলদার) জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে তরমুজ পরিবহণে বাঁধা দিয়ে চাষীদের হুমকি দেওয়া ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

স্থানীয় তরমুজ চাষীদের অভিযোগ, পরিবহণের সুবিধার্থে চলতি মৌসুমে ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের গহিনখালী গ্রামের তরমুজ চাষীরা অস্থায়ী একটি ঘাট করে নৌপথে তরমুজ বাজারজাত শুরু করেন। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম গিয়ে ওই ঘাট থেকে তরমুজ পরিবহণ করতে বাঁধা দেন চাষীদের। সেই সঙ্গে এই ঘাট সংলগ্ন তার নিয়ন্ত্রণাধীন খাস কালেকশনের হাসিল আদায় করা আরেকটি ঘাট থেকে তরমুজ পরিবহণ করতে চাপ প্রয়োগ করেন। তার কথা মেনে না নিলে আইনি ব্যবস্থা নিবেন বলে হুমকি দেন। একপর্যায় চাষীদের সুবিধামত ঘাট থেকে তরমুজ পরিবহণ করতে হলে ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা কাজী জাহিদুল এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলেও অভিযোগ করেন চাষীরা।

 

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গহিনখালী লঞ্চঘাট সংলগ্ন অস্থায়ী ঘাটে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব অভিযোগ করেন তরমুজ চাষীরা। 

 

কর্মসূচিতে গহিনখালী গ্রামের তরমুজ চাষী বশির উদ্দিন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় আমরা আমাদের সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিএর অনুমতি নিয়ে এখানে ঘাট করে তরমুজ বাজারজাত করি। কিন্তু জাহিদ তহশিলদার এসে আমাদের এখান থেকে তরমুজ পরিবহণ করতে নিষেধ করেন। এখান থেকে তরমুজ পরিবহণ করতে হলে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে তাকে। এছাড়া কৃষকদের মামলা দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তহশিলদার।’

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক তরমুজ চাষী জানান, ‘চাষীদের সুবিধামত যেখানে ভাল হয় সেখান থেকে তরমুজ পরিবহণ করবে। কিন্তু তহশিলদার কাউকে নির্দিষ্ট ঘাট থেকে তরমুজ পরিবহণ করতে চাপ দিতে পারে না। এটা অন্যায়, এটা জুলুম।


  
এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গনিখালী একটি বিআইডব্লিউটিএর ঘাট এবং উপজেলা প্রশাসনের আরেকটি ঘাট আছে। মাঝখানে একটি সিন্ডিকেট নতুন করে একটা ঘাট বসিয়েছে। এই ঘাটে বাঁধা দেওয়ার জন্য আমি গিয়েছি। বলেছি যে নতুন করে এই ঘাট আপনারা করতে পারবেন না। টাকা চাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হাসান বলেন, ‘এবিষয়ে আমি অবগত নই। কোন কৃষক লিখিত অভিযোগ করলে উল্লেখিত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
 

Logo
Logo





Logo

আরো পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭