সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
প্রকাশিত: ২০২৬-০৮-১৭ ১০:১৬:১২
এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কৈ মাছ উৎপাদনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘জাতীয় মৎস্য পদক-২০২৬’ পেয়েছেন জিএম অ্যাকোয়া কালচার লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী ও বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার।
জাতীয় মৎস্য পদক-২০২৬-এর পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কৈ মাছ উৎপাদন ক্যাটাগরিতে তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬ দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়াম মাঠে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার হাতে পদক তুলে দেন। মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য ১৩টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ পদক দেওয়া হয়।
আব্দুল মহিত তালুকদার ১৯৯৬ সালে আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের কালাইকুড়ি গ্রামে জিএম অ্যাকোয়া কালচার লিমিটেড নামে মৎস্য খামার প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রায় ৫০ একর জলাশয়ে ২৬টি বড় পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করছেন তিনি।
খামারে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ও কৈ মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়।
বৃহৎ এই মৎস্য খামারে প্রতিদিন প্রায় আট মেট্রিক টন মাছের খাদ্যের প্রয়োজন হয়। নিজস্ব খামারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যচাষিদের মানসম্মত খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে তিনি জিএম ফিডমিলস লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটিতে উৎপাদিত মাছের খাদ্য নিজস্ব খামারে ব্যবহারের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার মৎস্য চাষিদের কাছেও সরবরাহ করা হয়।
আব্দুল মহিত তালুকদার আদমদীঘি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে গত ২৪ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি প্রায় তিন দশক ধরে মৎস্য খাতে উদ্যোক্তা হিসেবে তার কর্মকাণ্ড স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মৎস্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখছে।
বগুড়া জেলা যুবদলের সদস্য ও সংসদ সদস্যের ছেলে মিজানুর রহমান জিকো বলেন, তিনি শুধু একজন ভালো বাবা কিংবা সফল রাজনীতিবিদ নন, একজন সফল উদ্যোক্তাও। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে মৎস্য খাতে তার শ্রম, উদ্যোগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি এই জাতীয় পদক। এ অর্জন আব্দুল মহিত তালুকদারের পাশাপাশি জিএম অ্যাকোয়া পরিবারের প্রতিটি সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরও।
তিনি আরো বলেন, ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সফল মৎস্যচাষ ও মৎস্য ব্যবসায় বিশেষ অবদানের জন্য বগুড়া জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও আব্দুল মহিত তালুকদার পুরস্কৃত হয়েছিলেন। এবার জাতীয় পর্যায়ের এ স্বীকৃতি তার দীর্ঘদিনের কাজকে আরো বড় পরিসরে স্বীকৃতি দিল।