বুধবার ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

Logo
Add Image

খেলাধুলা

‘ক্রিকেট হাইজ্যাক’-অভিযোগের মুখে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ

প্রকাশিত: ২০২৬-০১-১০ ১৪:৩১:৩২

News Image

ছবি : সংগৃহিত

অনলাইন ডেস্ক:
পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে বিতর্ক প্রতিদিনই আরো তীব্র হচ্ছে। আইপিএল থেকে তারকা এই পেসারকে বাদ দেওয়ার পর, নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ভারতে সফর করবে না।

 

মুস্তাফিজ ইস্যুতে এশিয়ার ক্রিকেট প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিসিবির সাবেক সচিব সৈয়দ আশরাফুল হক। বিশেষ করে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহকে।

 

এশিয়ার ক্রিকেট ব্যবস্থাকে কার্যত ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছে রাজনীতি, দাবী সৈয়দ আশরাফুল হকের। তারমতে জগমোহন ডালমিয়া, আইএস বিন্দ্রা, মাধবরাও সিন্ধিয়া, এন কে পি সালভে বা এমনকি এন শ্রীনিবাসনের সময়ে থাকলে মুস্তাফিজুরকে ঘিরে এমন ঘটনা কখনোই ঘটত না।

 

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান—সব জায়গাতেই ক্রিকেট ব্যবস্থা রাজনীতিবিদদের হাতে জিম্মি হয়ে গেছে। ভাবুন তো, জগমোহন ডালমিয়া, আইএস বিন্দ্রা, মাধবরাও সিন্ধিয়া, এনকেপি সালভে কিংবা এমনকি এন শ্রীনিবাসনের সময়ে কি এমন কিছু হতো? কখনোই না।

 

কারণ তারা পরিণত মানুষ ছিলেন, ক্রিকেট বোঝতেন এবং একজন খেলোয়াড়ের ওপর এর প্রভাব কী হতে পারে, সেটাও জানতেন।’

 

সাবেক এই বিসিবি সচিব বাংলাদেশের বিশ্বকাপে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকেও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তার মতে, বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্ট বর্জন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তিনি বলেন, ‘এখন সবকিছু পুরোপুরি হাইজ্যাক হয়ে গেছে।

 

যাদের হাতে ক্রিকেট, তারা কেউই কখনো ব্যাট ধরেননি। জয় শাহ কখনো প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেননি। অথচ আমাদের ক্রীড়া উপদেষ্টা বলছেন, বাংলাদেশ ভারতে যাবে না। এটা কি আইপিএল? না, এটা বিশ্বকাপ, একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্ট। এমন বিষয়ে হঠকারী বক্তব্য দেওয়া যায় না।

 

সৈয়দ আশরাফুল হকের অভিযোগ, বিসিসিআইয়ের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তার মতে, মুস্তাফিজুর রহমানের বদলে যদি লিটন দাস বা সৌম্য সরকার হতেন, তাহলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো না।

 

তিনি আরো বলেন, ‘এটা সস্তা ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা। অপরিণত রাজনীতিবিদরা যখন ক্রিকেট চালায়, তখনই এমন হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে নির্বাচন সামনে রেখে ভোটের রাজনীতি করা হচ্ছে। আর তার খেসারত দিতে হচ্ছে বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টকে।’

 

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। মূল সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ চারটি ম্যাচ খেলবে—তিনটি কলকাতাতে এবং একটি মুম্বাইতে।

 

এখন পর্যন্ত আইসিসি বিসিবির আবেদনের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কাতে সরানো হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
 

Logo
Logo





Logo

আরো পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭