শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

Logo
Add Image

জেলা খবর

এনএসডিএস এর "উন্নয়নের শিক্ষা" প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ২০২৬-০৮-০৮ ০৮:৪৫:০৮

News Image

এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
এনএসডিএস এর "উন্নয়নের শিক্ষা“প্রকল্পের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথা প্রতিরোধে বগুড়া জেলার আদমদীঘির উপজেলার, নসরতপুর মহিলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও শ্রেণীতে শতভাগ উপস্থিতি বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্য।

 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট, ২০২৬) বেলা ০২ টায় বগুড়ার শহরের প্রাণকেন্দ্র ভান্ডারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে "দারিদ্র নয়, শিক্ষার অভাব-ই বাল্য বিয়েও যৌতুকের কারণ" বিষয়ক আন্ত: শ্রেণী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ প্রতিযোগিতায় তৃতীয়-দশম শ্রেণীর ৬২ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলেও ৬ শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হয় । পক্ষ দল ০৩ এবং বিপক্ষ দল ০৩ জন। চূড়ান্ত পর্বে ৫৯০ নম্বর পেয়ে পক্ষ দল বিজয়ী হয়।

 

মোছা. মনোয়ারা বেগম কল্পনা এর সভাপতিত্বে এবং মো. মাকসুদুর রহমান সহকারী শিক্ষক এর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন।

 

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রমজান আলী আকন্দ।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মো.লুৎফর রহমান প্রধান শিক্ষক ভান্ডারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাসনা জাহান উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অ:দা:) আদমদীঘি বগুড়া, মো. আজিজুল হক রাজা, সদস্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড ঢাকা, এন এস ডি এস, এর মহাসচিব মো. আব্দুল আলীম ও এম আব্দুর রাজ্জাক জেলা সমন্বয়ক, সাদিয়া শারমিন শিমু,সভাপতি, নাটোর জেলা শাখা এনএসডিএস সহ উক্ত স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাত্রী এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠান শেষে ১৫ জন মেধাবী, সর্বোচ্চ উপস্থিতি ১৫ জন, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ৬২ জন চূড়ান্ত পর্বের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ০৬ জন, প্রতিবন্ধী ১০ জন, শ্রেষ্ঠ বক্তা ০১ জন, বিচারক মন্ডলী, মডারেটর সহ সর্বমোট ১২০ জনকে এন এস ডি এস এর পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

 

এই অনুষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ বক্তা হিসেবে নবম শ্রেণীর অপসরা নির্বাচিত হন।

 

সংস্থার মহাসচিব মো. আব্দুল আলীম বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথার কিছু বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন, ইউনেসিফ এর তথ্য মতে ২০১৯ সালের বেলাল বিয়ের হার ছিল ৫১. ৪০%, ২০২৫ সালের তা দাঁড়ায় ৪৭. ২%, কিন্তু ২০১৯ সালের বাল্য বিয়ের হাত ১৩. ৪% থেকে ২০২৫ সালে ব্যাপক হারি বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮. ৯৯% উন্নতি লাভ করে, যা বর্তমান সমাজের জন্য বড় হুমকি। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বাল্যবিবাহ সর্বোচ্চ ৬৮% তাদের বয়স অধিকাংশ ১৫ বছরের নিচে, তার মধ্য বর্তমান বগুড়া জেলার বাল্য বিয়ের নারীর সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষের অধিক। যার ফলে সারাদেশে যৌতুক নির্যাতন দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, বর্তমান বাংলাদেশের যৌতুক নিরোধ মামলার সংখ্যা প্রায় ৪১৬৯৩ টি।
 

Logo
Logo





Logo

আরো পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭