মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

Logo
Add Image

জেলা খবর

টাঙ্গাইলে যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, শাখারিয়ার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রক্ষায় দিন-রাত কাজ করছে পাউবো

প্রকাশিত: ২০২৬-০৭-২১ ১১:২২:২৫

News Image

মোঃ নুর আলম, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় দিন-রাত কাজ করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং অব্যাহত রয়েছে।

 

আজ সোমবার (২০ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তারাকান্দি-ভূঞাপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া স্লুইসগেট সংলগ্ন প্রায় ১০০ ফুট বিধ্বস্ত অংশে ভারী যন্ত্রপাতির সাহায্যে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। নদীর স্রোতের গতিপ্রকৃতি বিবেচনায় নিয়ে কারিগরি পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন পাউবোর কর্মকর্তারা।

 

বাঁধ পরিদর্শনে এসে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, উজানের পানির কারণে যমুনায় স্রোতের তীব্রতা বেড়েছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ সরবরাহ করেছে। নদীর গতিপ্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমেছে।

 

এদিকে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে তারাকান্দি-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। জননিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

গোপালপুর উপজেলার হেমনগর পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা অভিমুখী সব ধরনের যানবাহন বিকল্পভাবে নলিন বাজার সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করছে।

 

স্থানীয়রা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল ঢেউয়ে যমুনা এখন অত্যন্ত উত্তাল। নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে বাঁধ রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় শাখারিয়া-নলিন বাজার এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধে সোমবার থেকে কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা যেকোনো মূল্যে বাঁধ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।


স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, দ্রুত ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শাখারিয়া এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যাবে।
 

Logo
Logo





Logo

আরো পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৬ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭