প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩


জেলা খবর

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে হাড় জোড়া লাগানোর কবিরাজ ও মেডিকেল মালিককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত: ২০২৬-০৯-২৮ ২৩:৪৬:২৫

News Image

খন্দকার আউয়াল ভাসানী, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও লাইসেন্স না থাকায় এক হাড় জোড়া লাগানোর কবিরাজ ও এক মেডিকেল মালিককে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাথাইলকান্দী বাজারে এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান।

 

অভিযানে আশরাফুল মেডিকেলের প্রোপ্রাইটর মো. আশরাফুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা এবং হাত-পা ভাঙার চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে মো. ফরমান আলী শেখ নামে এক কবিরাজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।


জানা যায়, আশরাফুল ইসলাম (পিতা: সানোয়ার হোসেন), সারপলশিয়া, নিকরাইল, ভূঞাপুর, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা। তাঁর পরিচালিত আশরাফুল মেডিকেলে চিকিৎসা প্রদান ও ওষুধের ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ অনুমোদন ও লাইসেন্সসংক্রান্ত কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

অন্যদিকে, মো. ফরমান আলী শেখ সিরাজগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি পাথাইলকান্দী বাজারে হাড় ও হাত-পা ভাঙার চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন বলে জানা গেছে। অনুমোদনহীনভাবে এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিকিৎসা কার্যক্রম ও ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।

 

অভিযানে ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বেলাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়মবহির্ভূতভাবে ওষুধ বিক্রির মাধ্যমে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে অনুমোদিত চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেওয়া এবং বৈধ ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কেনার আহ্বান জানানো হয়।

 

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।