প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
প্রকাশিত: ২০২৬-০৯-২২ ২১:১৭:৪২
মোঃ রফিকুল ইসলাম সোহাগ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের নতুন হাসন নগর এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্রাবণের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. সেজুল মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্ব পাশে পালস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে মেইন রোডে একটি ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং শ্রাবণসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন। পরিবারের দাবি, ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল, কে প্রথম হামলা করেছিল এবং শ্রাবণ কী পরিস্থিতিতে সেখানে জড়িয়েছিল—এসব বিষয়ও তদন্তে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, শ্রাবণ একজন শিক্ষার্থী। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই তাকে সামাজিকভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী বা অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবি ও পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও অধিকার যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, শ্রাবণের বাবা জুবাব আলী নতুন হাসননগর এলাকার একজন পরিচিত ব্যবসায়ী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই না করে তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং শ্রাবণ ও তার পরিবারের বক্তব্য যথাযথভাবে তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
তারা বলেন, একপাক্ষিক বয়ান নয়, পুরো ঘটনা সামনে আসুক। অভিযোগ নয়—তদন্তের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসুক।
সংবাদ সম্মেলনে আজব আলী, তহির মিয়া, তফিক মিয়া, ময়না মিয়া, মাহমুদ আলী, রেজুয়ান, ফরিদ মিয়া, সাঈদূল ইসলাম, আকিনুর, আমিন, ফরিদ আলী, জামাল, সেজুল ও মাহিবুরসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।