প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩


জেলা খবর

টাঙ্গাইলে ডিসি অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আত্মীয়ের জমি দখলের অভিযোগ, অস্বীকার অভিযুক্তের

প্রকাশিত: ২০২৬-০৭-১৬ ০০:৪৬:০৮

News Image

নিজস্ব প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তার(এও) বিরুদ্ধে আত্মীয়ের জমি জবরদখলের অভিযোগ ওঠেছে। 

 

আজ বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে ভুক্তভোগী কানিজ ফাতেমা প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগ করেন।  

 

সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মটরা গ্রামের মো. রহিজ উদ্দিনের একমাত্র মেয়ে কানিজ ফাতেমা লিখিত বক্তব্যে বলেন, তার বাবা-চাচারা তিন ভাই মিলে মটরা মৌজায় বিভিন্ন দাগে ৩১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে। সে অনুযায়ী রহিজ উদ্দিন, আ. রশিদ মিয়া ও রাজু আহমেদ তিন ভাইয়ের নামে জমিগুলোর নামজারি সাপেক্ষে খাজনা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু তার বড় চাচা আ. রশিদের মেয়ের জামাতা টাঙ্গাইল ডিসি (জেলা প্রশাসক) অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) নজরুল ইসলাম ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাদের ভাগের ২১ শতাংশের বসতবাড়ি ব্যতিত বাকি ৮৫ শতাংশ জমি জবরদখল করে নিয়েছেন। 

 

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার কোনো সহোদর ভাই না থাকায় চাচা ও চাচার মেয়ের জামাতা তাদের জমিগুলো জবরদখল করেছে এবং সাফ জানিয়ে দিয়েছে- তিনি কোনো জমি পাবেন না। এ বিষয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার বৈঠক হলেও নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মগড়া ইউপি সচিব শামছুন্নাহারের গোয়ার্তুমির কারণে মীমাংসা হয়নি। উপরন্তু কোনো প্রকার জমি দাবি করলে তাকে ও তার বাবা রহিজ উদ্দিনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজতে পাঠাবে। তারপর কথা না শুনলে তাকে মেরে ফেলবে বলে প্রকাশ্যে বলে বেরাচ্ছে। 

 

এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।  সংবাদ সম্মেলনে কানিজ ফতেমার বাবা মো. রহিজ উদ্দিন, মা বিলকিছ বেগম এবং বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।  টাঙ্গাইল ডিসি অফিসের সাধারণ শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) নজররুল ইসলাম জানান, জমি-জমার বিষয় নিয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। একটি বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন- মীমাংসাও হয়েছিল। কিন্তু কানিজ ফাতেমার স্বামীর কারণে সে মীমাংসা ভণ্ডুল হয়ে যায়। তারপর আর কখনো তিনি ওই জমি-জমার বিষয়ে কোনো খোঁজ খবর রাখেননি এবং প্রয়োজনও মনে করেন না। অহেতুক তাকে দোষারূপ করা হচ্ছে।