প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩


জেলা খবর

বগুড়ার সান্তাহারে শিশু রাকা হত্যায় জুয়েলার্সের মালিক ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার এবং রাকার কানের দুল উদ্ধার

প্রকাশিত: ২০২৬-০৬-২৬ ১২:৩৫:৪৫

News Image

এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদিঘী থানাধীন গত (১১ জুন, ২০২৬) সান্তাহারে সাহেব পাড়ার, শিশু রাকিকা আক্তার রাকা কে শ্বাসরুদ্ধ করে করে হত্যা করা হয়।

 

শিশু রাকিকা আক্তার রাকা (৭) হত্যার সঙ্গে জড়িত এজাহার নামীয় ৪ জন আসামি ইতিমধ্যে আদমদীঘি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামরুজ্জামান মিয়ার নেতৃত্বে এবং তার নিরলস প্রচেষ্টায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এ ঘটনায় ০২ নং এজাহার নামিয় আসামি বন্যা আক্তার (৩৫) ইতিপূর্বে বগুড়া জেলা বিজ্ঞ আদালতে শিশু রাকিকা আক্তার রাকার হত্যার দোষ স্বীকার করেন এবং ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করেছেন এবং শিশু রাকিকা আক্তার রাকাকে হত্যার পর তার একজোড়া কানের দুল বিক্রি করেন সান্তাহারের" মিতা জুয়েলার্সের" মালিক বর্তমান আসামি মো.ফজলুর রহমানের কাছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন, ২০২৬) বগুড়ার, আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশ্বস্ত সোর্সের গোপন সংবাদের মাধ্যমে সান্তাহার কালীমন্দিরের পাশে" মিতা জুয়েলার্স" এর মালিক মো. ফজলুর রহমান (৫৫) পিতা-মৃত আব্দুস সাত্তার, সাং- মালসন, সান্তাহার, থানা আদমদিঘী বগুড়া কে আদমদীঘি থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেন।

 

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি মো. ফজলুর রহমান, বগুড়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত, বগুড়ার নিকট শিশু রাকিকা আক্তার রাকার কানের এক জোড়া দুল ক্রয় করার দোষ স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করেন এবং বিজ্ঞ বিচারক তার জবানবন্দী রেকর্ড  করে এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেন।

 

এ বিষয়ে আদমদীঘি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, আসামিকে গ্রেফতার করে বগুড়ার বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।