প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


জেলা খবর

ভাসানী হলের আধুনিকায়নে বদলে যাবে টাঙ্গাইলের চিত্র, গড়ে উঠবে 'মডেল টাঙ্গাইল': প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকু

প্রকাশিত: ২০২৬-০৬-১৩ ০১:১৫:৩৫

News Image

নিজস্ব প্রতিনিধি:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ভাসানী হলকে আধুনিক ও বহুমুখী সুবিধাসম্পন্ন স্থাপনায় রূপান্তরের মাধ্যমে ‘মডেল টাঙ্গাইল’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ভাসানী হল শুধু একটি ভবন নয়, এটি টাঙ্গাইলের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত নাগরিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

 

আজ ১২ জুন, ২০২৬ শুক্রবার সকালে ভাসানী হল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন, গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিন মিয়া প্রমুখ।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ভাসানী হলকে এমনভাবে সংস্কার করা হবে যাতে এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সামাজিক কার্যক্রম, সেমিনার, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। টাঙ্গাইলের সামগ্রিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করে টাঙ্গাইলকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য জেলায় পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। ভাসানী হলের উন্নয়ন সেই বৃহৎ পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা ভাসানী হল সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাবে হলটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে এটি আবারও টাঙ্গাইলের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংস্কার পরিকল্পনায় ভবনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংযোজন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং দর্শনার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

 

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, “ভাসানী হলের উন্নয়নের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে এবং ‘মডেল টাঙ্গাইল’ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”