প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩


জেলা খবর

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ পালিত

প্রকাশিত: ২০২৬-০৫-০১ ২০:৩৩:৩৩

News Image

এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত-আসবে এবার নব প্রভাত’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে (১ মে, ২০২৬) শুক্রবার রাজশাহীতে মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকালে নগরীতে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

 

র‍্যালিটি বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের সামনে থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

 

বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, শিল্প সম্পর্ক শিক্ষায়তন এবং সপুরার গ্রাম কল্যাণ কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো, মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা।

 

এছাড়াও অংশগ্রহণ করেন রাজশাহী অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রেজাউল আলম সরকার, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। 

 

র‍্যালি শেষে ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান। এছাড়াও রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের প্রশাসকদ্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা মে দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। এবং তাদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা বজায় রাখা জরুরিসহ পেশাগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সেইফটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

 

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতের মালিক পক্ষ, শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর বিভিন্ন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানে আজ সাধারণ ছুটি পালিত হচ্ছে।

 

র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।