‘আ.লীগ ৫ বছরে যা করতে পারেনি, আমরা তা ২ মাসেই করেছি’: হুইপ জি কে গউছ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। আমরা মানুষের কাছে তার বিপরীত চিত্র উপহার দেব। এখন মানুষ আর ধোঁকা খাবেন না। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করতে পারেনি, আমরা তা দুই মাসেই করেছি।
তিনি বলেন, আমরা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন চাই। নিজেরা কেউ দুর্নীতি করব না, অন্যকেও দুর্নীতি করতে দেব না।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে হবিগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যেই শুরু হওয়ায় জেলা বিএনপি আয়োজিত আনন্দ র্যা লিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এখন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের সময় দেওয়া অমোচনীয় কালি আঙুল থেকে মুছার আগেই আমরা নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি। বিএনপি ওয়াদা করেছিল ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করবে। ইতোমধ্যেই আমাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ওয়াদা পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দল বলেছিল দেশের মায়েদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। সেটিও দেওয়া শুরু হয়েছে। আগামী মাস থেকে হবিগঞ্জেও ইনশাআল্লাহ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হবে। বিএনপি ওয়াদা করেছিল ক্ষমতায় গেলে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। পহেলা বৈশাখ সারা দেশে কৃষক কার্ড চালু হয়েছে। এভাবে বিএনপি মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছে।
হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে র্যা লিটি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। এতে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, হাজী এনামুল হক, শ্রমিক দল সভাপতি ইসলাম তরফদার তনু, সাধারণ সম্পাদক এসএম বজলুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, যুবদল আহ্বায়ক জালাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু প্রমুখ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। আমরা মানুষের কাছে তার বিপরীত চিত্র উপহার দেব। এখন মানুষ আর ধোঁকা খাবেন না। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করতে পারেনি, আমরা তা দুই মাসেই করেছি।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে হবিগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যেই শুরু হওয়ায় জেলা বিএনপি আয়োজিত আনন্দ র্যা লিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনীতি
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত তাবাসসুম। এ সময় ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল। তবে নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা নিয়ে আপত্তি তোলে নির্বাচন কমিশন। পরে সময়সীমা অতিক্রমের কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের রায়ের পর পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপরই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পথ খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনি ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তবে এখনো বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েছি।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত তাবাসসুম। এ সময় ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল। তবে নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা নিয়ে আপত্তি তোলে নির্বাচন কমিশন। পরে সময়সীমা অতিক্রমের কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের রায়ের পর পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপরই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পথ খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনি ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তবে এখনো বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েছি।”
জাতীয়
আলোচিত শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।
এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
আলোচিত খবর
ভিভিআইপি প্রটোকল ভেঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তাঁর বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন।
আজ বুধবার (৬ মে, ২০২৬) সকালে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ানবাজার প্রান্তে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার পথে ঘটে এ ঘটনা।
সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর বনানী এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কারওয়ানবাজার এফডিসি মোড়ের দিকে এগোচ্ছিল। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স।
অ্যাম্বুলেন্সটি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরের পেছনে সাইরেন বাজাতে বাজাতে বহর অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি বুঝে অতি জরুরি সেবার এই গাড়িকে সাইড দিতে বহরে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে কর্মকর্তারাও অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেন।
বাংলাদেশে ভিভিআইপি বহরের কারণে সড়কে অন্য যানবাহনকে অপেক্ষা করতে দেখে আসছে জনগণ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জনাব তারেক রহমান সেই প্রটোকল ও রীতি ভাঙলেন। সবার ওপরে জনগণ- এই মর্মে তিনি দেশ পরিচালনা করছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তাঁর বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন।
আলোচিত খবর
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রা শুরু ১৩ মে থেকে, এবার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে
টাঙ্গাইল দর্পণ ডেস্ক:
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভিড় সামাল দিতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আগামি ১৩ মে, ২০২৬ বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু হবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। একই সঙ্গে ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। পরদিন ১৪ মে পাওয়া যাবে ২৪ মে’র, ১৫ মে মিলবে ২৫ মে’র টিকিট। এরপর ১৬ মে দেওয়া হবে ২৬ মে’র এবং ১৭ মে বিক্রি করা হবে ২৭ মে’র টিকিট। ঈদ ঘিরে যাত্রীদের চাপ বিবেচনায় রেখে এই ধাপে ধাপে টিকিট বিক্রির সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে। ওই দিন মিলবে ৩১ মে’র টিকিট। ২২ মে পাওয়া যাবে ১ জুনের, ২৩ মে মিলবে ২ জুনের, ২৪ মে দেওয়া হবে ৩ জুনের এবং ২৫ মে বিক্রি হবে ৪ জুনের টিকিট। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ইস্যু করা হবে।
যাত্রীসেবায় ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে ছাড়া হবে। একজন যাত্রী ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার জন্য সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
রেলওয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি টিকিট কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া যাবে না। তবে যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাবে এবং টিকিট কেনার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করবে। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভিড় সামাল দিতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আগামি ১৩ মে, ২০২৬ বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু হবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। একই সঙ্গে ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। পরদিন ১৪ মে পাওয়া যাবে ২৪ মে’র, ১৫ মে মিলবে ২৫ মে’র টিকিট। এরপর ১৬ মে দেওয়া হবে ২৬ মে’র এবং ১৭ মে বিক্রি করা হবে ২৭ মে’র টিকিট। ঈদ ঘিরে যাত্রীদের চাপ বিবেচনায় রেখে এই ধাপে ধাপে টিকিট বিক্রির সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে। ওই দিন মিলবে ৩১ মে’র টিকিট। ২২ মে পাওয়া যাবে ১ জুনের, ২৩ মে মিলবে ২ জুনের, ২৪ মে দেওয়া হবে ৩ জুনের এবং ২৫ মে বিক্রি হবে ৪ জুনের টিকিট। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ইস্যু করা হবে।
যাত্রীসেবায় ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে ছাড়া হবে। একজন যাত্রী ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার জন্য সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
রেলওয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি টিকিট কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া যাবে না। তবে যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাবে এবং টিকিট কেনার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করবে। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
মক্কায় আরও ২ বাংলাদেশি হজ্জযাত্রীর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়াল ৯
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশি হজ্জযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর হজ্জ মৌসুমে বাংলাদেশি মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। সোমবার (৪ মে, ২০২৬) দিবাগত রাত ৩টায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ্জ পোর্টালের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ মারা যাওয়া দুইজন হলেন ফরিদপুর সদরের মো. নাসিরউদ্দিন বিশ্বাস (৫৮) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেলের মাহফুজা বেগম (৫২)। তারা দুজনই বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গিয়েছিলেন এবং মক্কায় ইন্তেকাল করেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের মৃত্যু স্বাভাবিক কারণে হয়েছে।
চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে ৮ জন পুরুষ এবং একজন নারী। তাদের মধ্যে ৭ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। হজ মৌসুম শুরুর পর থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
হজ্জ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১১৮টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৬ হাজার ৫১৪ জন বাংলাদেশি হজ্জযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪ হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ হাজার ৪৪৩ জন।
ফ্লাইট পরিচালনায় রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করেছে ৫৪টি ফ্লাইট, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪৩টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন।
হজ্জযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। চলমান হজ্জ কার্যক্রমের মধ্যে মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগ তৈরি করলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, “পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।”
বাংলাদেশি হজ্জযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর হজ্জ মৌসুমে বাংলাদেশি মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। সোমবার (৪ মে, ২০২৬) দিবাগত রাত ৩টায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ্জ পোর্টালের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে সরকার–নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজের আহ্বান
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে শক্তিশালী নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ এবং তরুণদের কার্যকর সম্পৃক্ততাকে টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বক্তারা।
রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে “নাগরিকতা” কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত নীতিসংলাপ ও নেটওয়ার্কিং সভায় এসব মত উঠে আসে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের সহায়তায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজের সংগঠন এবং তরুণ নেতারা অংশ নেন। লক্ষ্য ছিল উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করা।
উদ্বোধনী পর্বের প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের যৌথ অংশগ্রহণ ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ধর্ম, জাতি বা পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নাগরিক সমাজের গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানান তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভূমিকা আরও দৃশ্যমান হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তরুণরাই আজ পরিবর্তনের অন্যতম চালিকাশক্তি।”
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী আইন, মানবাধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা, লিঙ্গসমতা এবং তরুণদের অংশগ্রহণ—এই চারটি বিষয় এখন অগ্রাধিকার পাওয়া জরুরি। তিনি বলেন, ২০১৩ সাল থেকে আলোচনায় থাকলেও বৈষম্যবিরোধী আইন এখনো প্রণয়ন হয়নি, যা রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি নির্দেশ করে। মানবাধিকারকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা প্রধান মিকায়েল ক্রেজা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি “রূপান্তরকালীন মুহূর্তের” মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, নাগরিক সমাজকে আরও কার্যকরভাবে শাসন ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে একটি সিভিল সোসাইটি রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, বৈষম্যবিরোধী আইন দ্রুত প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, মানবাধিকারকর্মীরা রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ নন, বরং উন্নয়ন ও জবাবদিহির অংশীদার।
কানাডার প্রতিনিধি স্টিফেন উইভার বলেন, ভিন্ন মত থাকলেও অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
তরুণদের পক্ষে ইয়ুথনেট গ্লোবাল'র নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, তরুণদের শুধু সুবিধাভোগী হিসেবে নয়, বরং নীতিনির্ধারণের অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
তিনি বলেন, “টোকেনিজম থেকে প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি, সুবিধাভোগী থেকে অংশীদারত্ব, আর নিয়ন্ত্রণ থেকে সহায়ক নাগরিক পরিসর এই পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।”
অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে শক্তিশালী নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ এবং তরুণদের কার্যকর সম্পৃক্ততাকে টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বক্তারা।
জাতীয়
আগামি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে বাড়তে পারে সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন-ভাতা
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে ২০১৫ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকেই নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য পুনর্গঠিত কমিটি ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্বিন্যাসের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে একবারে পুরো বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আগামী জুলাই থেকে মূল বেতন (বেসিক) বাড়ানো হবে। পরবর্তী ধাপগুলোতে চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন কোনো বেতন কাঠামো চালু হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নবম পে-স্কেল প্রণয়নে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করে। পরবর্তীতে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল তা পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোয় বেতনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারী সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা বেতন পান, যার মধ্যে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। নতুন প্রস্তাবে তার মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এতে ভাতাসহ মোট বেতন দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি।
তবে এই পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের উচ্চপর্যায়ের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হলে বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আর্থিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি চাকরিজীবীরা বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন। একই সঙ্গে আসন্ন বাজেটে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে ২০১৫ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকেই নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য পুনর্গঠিত কমিটি ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে: হেফাজতে ইসলাম
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
আজ শনিবার (০২ মে, ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বিচার নিশ্চিতের বার্তা প্রেরণ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের লাখো জমায়েতের ওপর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পরিকল্পিত নৃশংস গণহত্যায় অগণিত ধর্মপ্রাণ মানুষ শহীদ হন। হাজার হাজার আলেম, হাফেজ ও নবীপ্রেমিক জনতা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেন। আমরা ৫ মের মহান শহীদদের স্মরণে সারা দেশে দোয়া ও আলোচনাসভার আয়োজন করার জন্য হেফাজতের নেতাকর্মীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।হেফাজত নেতারা আরো বলেন, ৫ মের গণহত্যার দায়ে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে করা মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের জোর দাবি, দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে শাপলার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করুন।
তারা দুঃখের সঙ্গে বলেন, ২০১৩ সালে ৫ মের গণহত্যার প্রতিবাদে সবাই মাঠে নামলে পরবর্তীতে চব্বিশের জুলাই ম্যাসাকার দেখতে হতো না। তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা, ইসলামবিদ্বেষী সেক্যুলারদের উসকানি ও সুশীল সমাজের বড় অংশের নীরবতার মধ্য দিয়েই ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটতে পেরেছিল বলে আমরা মনে করি।
হেফাজত নেতারা আরো বলেন, ২০১৩ সালে ইসলামবিদ্বেষী ও আধিপত্যবাদীদের প্রজেক্ট গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে শাপলার চেতনা রুখে না দাঁড়ালে অচিরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব লুণ্ঠিত হতো। প্রতিবাদী আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থিদেরকে ‘না-মানুষ’ বানানো ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে শাপলার রক্তাক্ত চেতনা জাগ্রত রাখতে হবে। এছাড়া বর্তমান সরকার প্রত্যেক নাগরিকের মানবিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষায় ব্যর্থ হলে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। এটি সরকারকে মাথায় রাখতে হবে।
২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
আলোচিত খবর
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ শনিবার (০২ মে, ২০২৬) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন রমনা মডেল থানা পরিদর্শনকালে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে তিনি থানার বিভিন্ন কক্ষ ও হাজতখানাসহ সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। মন্ত্রী থানার ওসি ও ডিউটি অফিসারসহ কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
তিনি সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ জনগণকে (সেবাগ্রহীতাদের) সেবা প্রদানের জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কারো বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের রিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন।
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
জাতীয়
এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন জালিয়াতি ও প্রতারণা চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
সম্প্রতি র্যাবের গোয়েন্দা শাখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় একটি চক্রের তথ্য পায়, যারা “এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস” সংক্রান্ত ভুয়া প্রচারণা চালিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করছিল এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অপচেষ্টা করছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে র্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ২৯ এপ্রিল রাতে ডিএমপি, ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানাধীন হাসান নগর ঝাউলাহাটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১। মো: সাজেদুল ইসলাম সাইফ (২৪), পিতা- মো: সফিকুল ইসলাম, সাং- জঙ্গল বাড়ী, থানা- কামরাঙ্গীরচর, ডিএমপি, ঢাকা ও ২। তাউসিফ রহমান রিসাদ (২৩), পিতা- মো: রিপন হোসেন রাজ, সাং- ইসলাম বাগ, থানা- লালবাগ, ডিএমপি, ঢাকা’দ্বয়কে আটক করা হয়।
এসময় তাদের নিকট হতে ০৪ (চার) টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩,৭০০/- (তিন হাজার সাতশত টাকা) উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় প্রায় ০৬ মাস পূর্বে ব্যাটম্যান ওয়াইল্ড ও ব্যাটমাননামে টেলিগ্রাম গ্রুপ খোলার মাধ্যমে একটি সংগঠিত চক্র হিসেবে কাজ করছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক’সহ টেলিগ্রামে “এসএসসি-২০২৬” পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসসমূহ জব্দ করা হয়েছে এবং সেগুলো বিশ্লেষণে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র্যাব মনে করে, এ ধরনের কার্যক্রম শুধু আইনত দ-নীয় নয়, বরং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে। এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে র্যাব সর্বদা তৎপর রয়েছে। সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করুন এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে দ্রুত র্যাব’কে অবহিত করুন।
সম্প্রতি র্যাবের গোয়েন্দা শাখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় একটি চক্রের তথ্য পায়, যারা “এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস” সংক্রান্ত ভুয়া প্রচারণা চালিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করছিল এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অপচেষ্টা করছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে র্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
জাতীয়
কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে জানালেন, “প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট হবে কি না।”
আমির খসরু মাহমুদ জানান, “বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন- বিএনপি সরকারের সব নিয়োগ ছিল অরাজনৈতিক। সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণেই বিএনপি সরকারের সময় কোনো আর্থিক বিশৃঙ্খলা বা শেয়াবাজার লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমান গভর্নর কোনো দলের ব্যক্তি নন, তিনি বড়জোর কোনো দলের সমর্থক হতে পারেন। তবে তার যোগ্যতা থাকলে নিয়োগে কোনো বাধা নেই।”
‘বিরোধীদলীয় নেতা কিছু মন্তব্য করেছেন। আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এই ধরনের আলোচনার কোনো সুযোগ ছিল না এখানে। সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে হচ্ছে। যেহেতু ওনারা প্রশ্ন তুলেছেন, আমাদের উত্তর দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশের বিগত সরকারগুলো যদি দেখেন,যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে, সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট। সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট, আমি ক্লিয়ারলি বলতে চাই। যে কারণে বাংলাদেশের আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিএনপি সরকারের সময় কোনো সমস্যা হয়নি।’-উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “সব সময় আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় ছিল। কোনো সময় শেয়ারবাজার লুটপাট হয়নি। কারণ, বিএনপির অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো কোনো সময় পলিটিক্যাল কনসিডারেশনে হয়নি এবং যোগ্য ব্যক্তিদের সেখানে দেওয়া হয়েছে। সেই ধারা এই সরকার অব্যাহত রাখবে- এটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই। আপনারা যখন বিগত দিনগুলোতে দেখবেন, এই বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময় যখন গভর্নরের বয়স বাড়িয়েছে, তো সেই সময় তো আপনারা কোনো আপত্তি তোলেননি। গভর্ণরের এজ আমরা বাড়াইনি, এটা বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময়ে বাড়ানো হয়েছে।”
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে জানালেন, “প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট হবে কি না।”
‘বিরোধীদলীয় নেতা কিছু মন্তব্য করেছেন। আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এই ধরনের আলোচনার কোনো সুযোগ ছিল না এখানে। সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে হচ্ছে। যেহেতু ওনারা প্রশ্ন তুলেছেন, আমাদের উত্তর দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশের বিগত সরকারগুলো যদি দেখেন,যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে, সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট। সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট, আমি ক্লিয়ারলি বলতে চাই। যে কারণে বাংলাদেশের আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিএনপি সরকারের সময় কোনো সমস্যা হয়নি।’-উল্লেখ করেন তিনি।
জাতীয়
রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে হঠাৎ উধাও গাড়ির দীর্ঘ লাইন, নেপথ্যে কী?
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
রাজধানী ঢাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে হঠাৎই উধাও গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কয়েকদিন আগেও যেখানে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হতো, সেটি এখন একেবারেই নেই। ক্রেতার ভিড় না থাকায় এখন অনেক ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন।
বুধবার নীলক্ষেত (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন) এলাকার কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, খোশ গল্পে মেতেছেন কর্মচারী হৃদয় ও সোহেল। একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে তেল দিয়ে তাদের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দেন নাহিদ। তাদের গল্পের কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নেই। ক্রেতা না থাকায় গল্প করছেন পাম্পের এই কর্মচারীরা।

হৃদয় বলেন, ‘তেল নিয়ে আমরা পাম্পে বসে আছি, কিন্তু কাস্টমার নেই। গত তিন ঘণ্টায় ৫০ জনেরও কম ক্রেতা তেল নিতে এসেছে।’
কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ এলাকার পূর্বাচল ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুর থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিনি মাত্র দুজন মোটরসাইকেল চালককে অকটেন দিয়েছেন। প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় আরেকজন মোটরসাইকেল চালক আসেন। তাকে তেল দিতে দিতে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও এখানে তেল দিতে হিমশিম খেতে হতো। লম্বা লাইনের কারণে ভিড় লেগে যেত। এখন তেল নিয়ে বসে আছি, কিন্তু ক্রেতা নেই।’
মৎস্য ভবন এলাকার রমনা পেট্রোল পাম্প, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার, পূর্বাচল ট্রেডার্স, নীলক্ষেতের কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং এবং এলিফ্যান্ট রোডের রহমান অ্যান্ড কোং পাম্প ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়। কোথাও ২ থেকে ৩টি মোটরসাইকেল, কোথাও সংখ্যায় একটু বেশি, তবে কোনো ফিলিং স্টেশনেই আগের মতো মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন নেই। ক্রেতারা আসা মাত্রই চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন।

বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমন হোসেন বলেন, ‘ফুয়েল পাসের মাধ্যমে তেল নিয়েছি, লাইনে তেমন ভিড় ছিল না। প্যানিক কমে যাওয়ায় লাইনও কমে গেছে। সরবরাহ বাড়ানোর কারণেও লাইন কমতে পারে।’
পাম্প কর্তৃপক্ষ ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে লাইন কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়া, জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু হওয়া।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জ্বালানি বিভাগ এক বার্তায় রাজধানীর ১১টি পাম্পে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোডভিত্তিক ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু করে।
এছাড়া গত ২১ এপ্রিল জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করে সরকার। ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এরপর থেকেই মূলত আতঙ্ক কমতে থাকে। পাশাপাশি ক্রেতাদের লাইনও কমতে থাকে।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক নাজমুল হক বলেন, ‘মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে আর লাইন নেই। সরবরাহ বাড়ানোর ফলেও এই পরিবর্তন এসেছে। আমরা শুরু থেকেই সরকারকে বলে আসছিলাম, সরবরাহ বাড়ালে লাইন থাকবে না। এখন সেটাই হয়েছে।’
মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকট শুরুর পর থেকেই সরকার একাধিকবার জানিয়ে আসছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। তবে সে সময় জনমনে তৈরি হওয়া আতঙ্কের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে তেল সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা দিতে থাকে।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাসে নিবন্ধনের জন্য কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সেখানে প্রায় ৫০ জন মোটরসাইকেল চালককে পাওয়া যায়। তারা তেল নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। দিন কয়েক আগেও এখানে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি দেখা যেত। তবে এই পাম্পে ফুয়েল পাস ছাড়া মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের হেড অব বিজনেস অপারেশন হেমোলাল মন্ডল (হিমালয়) বলেন, ‘সরকার সরবরাহ বাড়িয়েছে। আমরাও মানুষের চাহিদা মতো দিচ্ছি। মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক ছিল, তা কমেছে। ফলে লাইন একদম নেই বললেই চলে। এছাড়া আমরা ফুয়েল পাস ছাড়া তেল না দেওয়ায় লাইন কমে গেছে।’
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি মোটরসাইকেল ফুয়েল পাসে নিবন্ধিত হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। দিন দিন আবেদন বেড়েই চলছে। সূত্র: বাসস
রাজধানী ঢাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে হঠাৎই উধাও গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কয়েকদিন আগেও যেখানে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হতো, সেটি এখন একেবারেই নেই। ক্রেতার ভিড় না থাকায় এখন অনেক ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন।
বুধবার নীলক্ষেত (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন) এলাকার কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, খোশ গল্পে মেতেছেন কর্মচারী হৃদয় ও সোহেল। একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে তেল দিয়ে তাদের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দেন নাহিদ। তাদের গল্পের কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নেই। ক্রেতা না থাকায় গল্প করছেন পাম্পের এই কর্মচারীরা।

হৃদয় বলেন, ‘তেল নিয়ে আমরা পাম্পে বসে আছি, কিন্তু কাস্টমার নেই। গত তিন ঘণ্টায় ৫০ জনেরও কম ক্রেতা তেল নিতে এসেছে।’
কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ এলাকার পূর্বাচল ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুর থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিনি মাত্র দুজন মোটরসাইকেল চালককে অকটেন দিয়েছেন। প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় আরেকজন মোটরসাইকেল চালক আসেন। তাকে তেল দিতে দিতে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও এখানে তেল দিতে হিমশিম খেতে হতো। লম্বা লাইনের কারণে ভিড় লেগে যেত। এখন তেল নিয়ে বসে আছি, কিন্তু ক্রেতা নেই।’
মৎস্য ভবন এলাকার রমনা পেট্রোল পাম্প, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার, পূর্বাচল ট্রেডার্স, নীলক্ষেতের কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং এবং এলিফ্যান্ট রোডের রহমান অ্যান্ড কোং পাম্প ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়। কোথাও ২ থেকে ৩টি মোটরসাইকেল, কোথাও সংখ্যায় একটু বেশি, তবে কোনো ফিলিং স্টেশনেই আগের মতো মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন নেই। ক্রেতারা আসা মাত্রই চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন।

বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমন হোসেন বলেন, ‘ফুয়েল পাসের মাধ্যমে তেল নিয়েছি, লাইনে তেমন ভিড় ছিল না। প্যানিক কমে যাওয়ায় লাইনও কমে গেছে। সরবরাহ বাড়ানোর কারণেও লাইন কমতে পারে।’
পাম্প কর্তৃপক্ষ ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে লাইন কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়া, জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু হওয়া।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জ্বালানি বিভাগ এক বার্তায় রাজধানীর ১১টি পাম্পে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোডভিত্তিক ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু করে।
এছাড়া গত ২১ এপ্রিল জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করে সরকার। ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এরপর থেকেই মূলত আতঙ্ক কমতে থাকে। পাশাপাশি ক্রেতাদের লাইনও কমতে থাকে।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক নাজমুল হক বলেন, ‘মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে আর লাইন নেই। সরবরাহ বাড়ানোর ফলেও এই পরিবর্তন এসেছে। আমরা শুরু থেকেই সরকারকে বলে আসছিলাম, সরবরাহ বাড়ালে লাইন থাকবে না। এখন সেটাই হয়েছে।’
মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকট শুরুর পর থেকেই সরকার একাধিকবার জানিয়ে আসছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। তবে সে সময় জনমনে তৈরি হওয়া আতঙ্কের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে তেল সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা দিতে থাকে।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাসে নিবন্ধনের জন্য কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সেখানে প্রায় ৫০ জন মোটরসাইকেল চালককে পাওয়া যায়। তারা তেল নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। দিন কয়েক আগেও এখানে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি দেখা যেত। তবে এই পাম্পে ফুয়েল পাস ছাড়া মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের হেড অব বিজনেস অপারেশন হেমোলাল মন্ডল (হিমালয়) বলেন, ‘সরকার সরবরাহ বাড়িয়েছে। আমরাও মানুষের চাহিদা মতো দিচ্ছি। মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক ছিল, তা কমেছে। ফলে লাইন একদম নেই বললেই চলে। এছাড়া আমরা ফুয়েল পাস ছাড়া তেল না দেওয়ায় লাইন কমে গেছে।’
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি মোটরসাইকেল ফুয়েল পাসে নিবন্ধিত হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। দিন দিন আবেদন বেড়েই চলছে। সূত্র: বাসস
আলোচিত খবর
দেশের বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেলের প্রতি লিটারের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৭৯ টাকা। নতুন এই দাম নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল, ২০২৬) সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দরে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৭৫ টাকা।
এতদিন প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৯৫ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা বেড়ে ১৯৯ টাকায় দাঁড়াল। একইভাবে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭৯ টাকা।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের উৎস পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ছে। “বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই মূল্য বেড়েছে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই দাম সমন্বয় করা হয়েছে,” বলেন তিনি।
সরকারের আশা, নতুন দাম নির্ধারণের ফলে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে। মন্ত্রী বলেন, ভোক্তারাও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দামের চাপ, আমদানি ব্যয় এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই প্রেক্ষাপটে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এলো। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে সরবরাহ সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পড়বে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে ভোজ্যতেলের নতুন দাম সাধারণ মানুষের ব্যয়ের হিসাবেও নতুন চাপ যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৭৯ টাকা। নতুন এই দাম নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
জাতীয়
জঙ্গি ইস্যুতে সরকারের দুই শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তির ভিন্ন সুর, উপদেষ্টা বলছেন আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন নেই
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব আছে কি নেই, তা নিয়ে সরকারের দুই শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্যে ভিন্ন সুর উঠে এসেছে।
আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ একদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে বর্তমানে জঙ্গি তৎপরতার অস্তিত্ব নেই। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশে জঙ্গি আছে”, তবে সেটিকে অতিরঞ্জিত করাও ঠিক নয়, আবার একেবারে অস্বীকার করাও ভুল।
বিষয়টি সামনে আসে এমন এক সময়ে, যখন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের সতর্কবার্তায় নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এরপর বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ডের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে “জঙ্গি” শব্দটি প্রয়োগ করার মতো পরিস্থিতি নেই। তার ভাষায়, “পৃথিবীর সব দেশেই কিছু এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ থাকে, র্যা ডিক্যাল ফোর্স থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে এখন জঙ্গি তৎপরতা আছে, এমনটা বলার সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, অতীতে এই বিষয়টি রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। “ফ্যাসিবাদী আমলে এসব শব্দ উচ্চারিত হতো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে। বর্তমানে বাংলাদেশে সেগুলোর অস্তিত্ব নেই।”
তবে একই দিন সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, “দেশে জঙ্গি নেই, এটা যেমন পুরো সত্য নয়, আবার দেশ জঙ্গিতে ভরে গেছে, এটাও সত্য নয়। দুটোই চরম অবস্থান।”
তার বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলাদেশে উগ্রপন্থার প্রবণতা রয়েছে এবং তা মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা যদি কোনো সংকট স্বীকারই না করি, তাহলে তার চিকিৎসাও হবে না। জঙ্গিবাদ ছিল, আছে। এটাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করবে সরকার।”
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, অতীতে জঙ্গিবাদ ইস্যু অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতার কিছু মানুষ প্রকাশ্যে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
দুই পক্ষের বক্তব্যে একটি জায়গায় মিলও দেখা গেছে। দুজনই মনে করেন, অতীতে জঙ্গিবাদ প্রশ্নটি রাজনৈতিক বয়ানের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়নে তাদের অবস্থান স্পষ্টতই আলাদা।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা সতর্কতা এবং সরকারের ভেতর ভিন্ন বক্তব্য বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তায় সামঞ্জস্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করছেন তারা।
সরকারি অবস্থানের এই ভিন্নতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও উভয় পক্ষই বলছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিতে রাষ্ট্র সতর্ক রয়েছে এবং উগ্রবাদ মোকাবিলায় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব আছে কি নেই, তা নিয়ে সরকারের দুই শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্যে ভিন্ন সুর উঠে এসেছে।
জাতীয়
ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র একে অপরের পরিপূরক; ন্যায়বিচার ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই নয় -প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে একে অপরের পরিপূরক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আইনের শাসন নিশ্চিত না হলে কোনো দেশই প্রকৃত অর্থে মানবিক ও গণতান্ত্রিক হতে পারে না। রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল, ২০২৬) শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং সবার জন্য সমান আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা টেকসই করতে হলে আইন ও ন্যায়বিচারের শাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি। তাঁর ভাষায়, “যে দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার নেই, সে দেশ কখনোই মানবিক হতে পারে না।” তিনি আরও দাবি করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর দেশ আবার গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হচ্ছে।
লিগ্যাল এইড ও বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিয়ে সরকারের উদ্যোগ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, অর্থের অভাবে কেউ যেন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার লিগ্যাল এইড কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “অ্যাক্সেস টু জাস্টিস নিশ্চিত করা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।”
তিনি আরও জানান, আর্থিকভাবে অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর জন্য বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তাঁর মতে, ন্যায়বিচার কেবল আদালতের ভেতরের বিষয় নয়, এটি একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।
বক্তব্যে তিনি নিজ অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। সেই সময়ে তিনি এমন অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচিত হন, যারা শুধু আর্থিক অক্ষমতার কারণে দীর্ঘদিন বিচার না পেয়ে কারাগারে ছিলেন।
তিনি বলেন, এই বাস্তবতা একটি রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরে। তাঁর মতে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা না গেলে সমাজে সমতা ও আস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তা বাড়ানোর বিষয়ে মত দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এ ধরনের বক্তব্য বিচারপ্রাপ্তি সহজ করার রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে সামনে আনে, তবে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জও রয়েছে।
ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রকে একে অপরের পরিপূরক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আইনের শাসন নিশ্চিত না হলে কোনো দেশই প্রকৃত অর্থে মানবিক ও গণতান্ত্রিক হতে পারে না। রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয়
মাঠে থাকা সেনাবাহিনীর ব্যারাকে ফেরার সময় জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে মাঠে থাকা সেনাবাহিনী ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সরকারের প্রয়োজন ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে তাদের প্রত্যাহার করা হবে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল, ২০২৬) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি কোস্টগার্ডের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জনের প্রশংসাও করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “দেশের বিদ্যমান আইন অনুসারে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে আছে। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে তাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাঠে থাকা সেনা সদস্যরা নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করছেন এবং নির্বাচনসহ বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের মোতায়েন করা হয়েছিল।
এর আগে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী মাঠে নামানো হয়েছিল। সেই সময় নির্ধারিত দায়িত্ব শেষে ধাপে ধাপে ফেরানোর কথা থাকলেও এখনো পুরোপুরি প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়নি।
জঙ্গিবাদ ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মন্তব্য ব্রিফিংয়ে জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গেও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই। তবে অতীতে বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের চিঠি সম্পর্কে তিনি অবগত নন বলেও জানান।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা বিশেষ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা জোরদার একটি নিয়মিত বিষয়।
কোস্টগার্ডের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বীকৃতি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। কোস্টগার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল জিয়াউল হক জানান, গত এক বছরে নদীপথে বাহিনীর কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সময় ১৬ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন এবং বাহিনীতে এখনো জনবল সংকট রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সাহসিকতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৪ জন সদস্যকে বিভিন্ন পদকে ভূষিত করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পদক, কোস্টগার্ড (সেবা) পদক এবং প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড পদক অন্তর্ভুক্ত ছিল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন, কোস্টগার্ডের জনবল বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে সরকার বদ্ধপরিকর এবং এ বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে মাঠে থাকা সেনাবাহিনী ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সরকারের প্রয়োজন ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে দায়িত্ব পালন করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে তাদের প্রত্যাহার করা হবে।
জাতীয়
আজ থেকে রাজধানীর ১১টি পাম্পে ফুয়েল পাস বাধ্যতামূলক: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে রাজধানীর ১১টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জ্বালানি নিতে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের ফলে এসব পাম্পে কিউআর কোডভিত্তিক নিবন্ধন ছাড়া জ্বালানি দেওয়া হবে না। জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল, ২০২৬) মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে দেওয়া ঘোষণায় বলা হয়, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর নির্বাচিত ১১টি ফিলিং স্টেশনে এই ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে। শাপলা চত্বর, মহাখালী, উত্তরা, তেজগাঁও, মিরপুর, গাবতলী ও কালশী এলাকার কয়েকটি পাম্প এই তালিকায় রয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর এবার বাধ্যতামূলক পর্যায়ে যাচ্ছে উদ্যোগটি।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে কিউআর কোড সংগ্রহ করতে পারবেন। মোবাইলে সংরক্ষণ কিংবা প্রিন্ট কপি সঙ্গে রেখেও জ্বালানি নেওয়া যাবে। আইফোন ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি যাদের স্মার্টফোন নেই, তারাও প্রিন্ট করা কিউআর কোড ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত গাড়ির ‘ঘ’ সিরিজের নিবন্ধনও উন্মুক্ত করা হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ফুয়েল পাস চালুর লক্ষ্য শুধু জ্বালানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং বিতরণ ব্যবস্থাকে আধুনিক করা। এর আগে ৯ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে এই অ্যাপ চালু হয়। পরে ২১ এপ্রিল ঢাকার কয়েকটি স্টেশনে এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। এবার সেই পরিসর বাড়ল।
জ্বালানি বিভাগ বলছে, কিউআর কোডভিত্তিক এই ব্যবস্থায় সরবরাহ পর্যবেক্ষণ সহজ হবে, অনিয়ম কমবে এবং দীর্ঘ লাইনের চাপও কমতে পারে। ইতোমধ্যে কিছু পাম্পে অপেক্ষার সময় কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে ব্যবহারকারীদের একাংশ সার্ভার জটিলতা ও তেলের সীমা নির্ধারণ নিয়ে উদ্বেগও জানিয়েছে। অনেকের অভিযোগ, “সার্ভার ডাউন” থাকলে নিবন্ধন ও ব্যবহার দুটোতেই ভোগান্তি হচ্ছে। এ নিয়ে সরকারের কাছে সার্ভার সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনে জ্বালানি সীমা পুনর্বিবেচনার দাবি উঠেছে।
জ্বালানি খাতে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার এই নতুন ধাপ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। রাজধানীতে সফল হলে এটি দেশজুড়েও বিস্তৃত হতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
আজ মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে রাজধানীর ১১টি ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জ্বালানি নিতে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের ফলে এসব পাম্পে কিউআর কোডভিত্তিক নিবন্ধন ছাড়া জ্বালানি দেওয়া হবে না। জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয়
‘যারা বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলে, তারাই ফ্যাসিবাদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে: যশোরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী
উবাঈদুল হুসাইন আল্ সামি, যশোর প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করে হরতাল করার সেই সুযোগ আমরা কাউকে দেব না। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেবে না বিএনপি। ১৭৩ দিন হরতালের সুযোগ দেব না।’
জামায়াতের নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘যারা বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলে, তারাই ফ্যাসিবাদের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করছে। যারা স্বৈরাচারের সাথে ঢাকার বাইরে মিটিং করে তারা জনগণের জন্য কখনো কাজ করে না। যারা ৭১, ২০০৮ সালে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে, তারা ২০২৬ সালেও মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তাদের বিষয সতর্ক থাকতে হবে।

আজ ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ সোমবার বিকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড হাজার থেকে লাখ লাখ, এরপর লাখ লাখ থেকে কোটিতে পৌঁছাবে। এছাড়া বন্ধ অনেক কল-কারখানা কয়েক মাসের মধ্যে চালু করবে সরকার। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছে, তারা এখন বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দোসর বলে। যারা বক্তব্যে জোরে জোরে কথা বলে তারাই ফ্যাসিবাদের সাথে এখন বিভিন্ন জায়গায় মিটিং করছে। বিএনপির নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশের কিছু মানুষ ও দল বাধাগ্রস্তের চেস্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসাথে নারীদের রান্নার কষ্ট লাঘবে এবার ‘এলপিজি কার্ড’ দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। একইসাথে তিনি বলেন, জনগণের শান্তি নষ্ট করবে, এমন কাজ করতে দেয়া হবে না। কোনো টিকিট বিক্রি নয়, জনগণের জন্য কাজ করবে বিএনপি সরকার।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণ সমর্থন দিয়েছে। বিএনপি তা বাস্তবায়ন করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ শেষ করবে এই সরকার। দেশের জনগণই বিএনপির রাজনীতি। দেশের জনগোষ্ঠীর অর্ধেক নারীদের পেছনে ফেলে কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বিএনপির ওপর দেশের মানুষের আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাধাগ্রস্ত করতে চায় একটি মহল, যারা নির্বাচনের আগে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছিল। দেশের সেবা করার জন্য বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে জনগণ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ শান্তিতে ও ভালোভাবে বসবাস করতে চায়। জনগণ বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন দেখতে চায়। যারা স্বাধীনতার সময় জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিল, তারা এখনও জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। বিভ্রান্তকারীরা বিভ্রান্তি ছড়াবে, আর বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করবে।
নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা মেট্রিক পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা মেট্রিক পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলেন। তার অসমাপ্ত কাজ পূরণের লক্ষ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করব। শুধু মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করব না, একই সঙ্গে আমাদের যে মেয়েরা ভাল রেজাল্ট করতে পারবে তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তির ব্যবস্থা করব সরকার থেকে যাতে করে তারা আরও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করতে পারে।’
মা-বোনদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মা-বোনদের একটি কারণে খুব কষ্ট হয়, রান্নাবাড়ির ব্যাপারে কষ্ট হয়; সেটি গ্রামের মা-বোনই হোক, সেটি শহরের মা-বোনই হোক। আমরা যেমন সারাদেশের মায়েদের কাছে আমরা যেমন ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিচ্ছি, সেরকম আরেকটি কার্ড দিতে চাই সেটি হবে এলপিজি কার্ড। এলপিজি গ্যাস এটি আমরা মা-বোনদেরকে পৌঁছে দিব যাতে করে মা-বোনদেরকে রান্নাবান্নার জন্য কষ্ট করতে না হয়।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আগে সোমবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকা থেকে যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এখন তিনি শার্শার উলশি খাল খননের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। দুপুর ১২টায় শার্শায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করেন এবং সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন। এরপর দুপুর ২টায় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি যশোর ইন্সটিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
সমাবেশে খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিএনপি ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হলে দেশে আমরা শহীদ জিয়ার রেখে যাওয়া সেই খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। ইনশাল্লাহ আগামী ৫ বছরে আমরা চেষ্টা করব সারাদেশে এই উলশী খালের মতো প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন করতে চাই যাতে করে গ্রামের মানুষ, গ্রামে বসবাসকারী মানুষ, কৃষক ভাই-বোনেরা, এলাকাবাসী এবং তরুণ সমাজের সদস্যরা তরুণরা হোক বিভিন্ন রকম আয় রোজগারের সুবিধা সেখান থেকে করতে পারে আমরা খাল খনন সেই জন্য করতে চাই।’
নারী প্রধান পরিবারের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম খাল খনন করব, আমরা আমাদের ওয়াদা রেখেছি। মা-বোনদের স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেব। ইনশাল্লাহ আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা চেষ্টা করব সকল গ্রাম, দেশের সকল গ্রামে সকল মায়েদের হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মায়ের কাছে প্রতি নারী পরিবারের প্রধানের কাছে আমরা মাসের পক্ষ থেকে ইনশাল্লাহ আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব যাতে করে তারা তাদের সন্তানদের দেখভাল করতে পারে, তাদের সন্তানের পড়াশোনা দেখাশুনা করতে পারে ভাল করে। তাদের সন্তানকে দু-চারটি ভাল ফল খাওয়াতে পারে যাতে করে তারা মা-বোনেরা একই সাথে সেই আড়াই হাজার টাকা থেকে ছোট ছোট উদ্যোক্তা গ্রহণ করতে পারেন-হাঁস পালন, মুরগি পালন, গরু-ছাগল পালন এরকম কাজের মাধ্যমে যাতে মা-বোনদের একটা নিজের রুজি রোজগারের ব্যবস্থা হয় সেটি আমরা করতে চাই।’
কৃষক ও শ্রমিকদের কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের জন্য আমরা কৃষি কার্ড দেব। কৃষক ভাইদের আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ যেটা আছে সেটা আমরা মওকুফের ব্যবস্থা করব। আল্লাহর রহমতে আমরা সেই কাজও শুরু করেছি এবং সরকার গঠনের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই আমরা কৃষকদের যাদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ ছিল তাদের সেই কৃষি ঋণ আমরা মওকুফ করেছি। এছাড়া বিভিন্ন চিনিকল ও কলকারখানা যেগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বহু মানুষ বেকার হয়ে গিয়েছে, সেই কলকারখানাগুলো চালুর ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমরা করব। আগামী দুই-চার মাসের মধ্যে ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের অনেক বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা আবার চালু করা সম্ভব হবে যার ফলে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের অনেক কল-কারখানা বন্ধ রয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অনেক কল-কারখানা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো চালু হলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পাশপাশি অনেক দেশে জনশক্তি রফতানি সীমিত ও বন্ধ রয়েছে। সেইসব দেশের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে। দ্রুতই অনেক দেশে আমরা জনশক্তি রফতানিতে গতি আনতে পারবো।
তিনি সকল ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে-মসজিদের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনসহ সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য সরকারিভাবে সম্মানীর ব্যবস্থা করব। আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন আমরা ইতিমধ্যেই শুরু করেছি। দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে বিএনপি যতদিন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, ইনশাআল্লাহ, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি জবান আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার আপ্রাণ চেষ্টা করব।
জেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রমুখ। জনসভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার এর আগে সোমবার দুপুর ১২টায় যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার সমাধানে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাঁচ দশক আগে জিয়াউর রহমানের যেখান থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যশোরের সেই উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন তার ছেলে তারেক রহমান। কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ খনন কার্যক্রমের সূচনা শেষে খালপাড়ে সুধী সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর দুপুর ২টায় তিনি যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো মানুষকে অসুস্থ হওয়া থেকে দূরে রাখা। আমরা যদি দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই; তাহলে সুস্থ একটি জাতি প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই হসপিটালটি যখন হবে, স্বাভাবিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০০ রোগীর ব্যান্ডেজ, ওষুধ বা অপারেশন থিয়েটারের যেসব বিষয় থাকে সেগুলো প্রোভাইড করা হবে। হয়তো দেখা যাবে রোগীর সংখ্যা আস্তে আস্তে বাড়ছে; কিন্তু সরকারেরও একটা ক্যাপাসিটি আছে। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে প্রিভেনশনটার ওপর জোর দেবো। আমরা মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করবো যাতে বড় বড় অসুখ-বিসুখ থেকে কিভাবে দূরে রাখা সম্ভব। তাছাড়া আমরা চেষ্টা করছি প্রাইভেট পার্টনারশিপ। সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত রোগী থাকলে চিকিৎসার সুবিধা থেকে অনেককে বঞ্চিত হতে হয় বা হাসপাতালের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী সম্ভব হয় না। তাই যেটা করতে চাচ্ছি প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হওয়া এবং গুরুতর বিবেচনায় বেসরকারি হাসপাতালে রোগী প্রেরণ করা। সরকারের পক্ষ থেকেই আমরা সেই খরচ বহন করবো।
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ভিত্তি প্রস্থর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যশোরে ৫০০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পূরণ করলো।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ শান্তিতে ও ভালোভাবে বসবাস করতে চায়। জনগণ বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন দেখতে চায়। যারা স্বাধীনতার সময় জনগণকে বিভ্রান্ত করেছিল, তারা এখনও জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। বিভ্রান্তকারীরা বিভ্রান্তি ছড়াবে, আর বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করবে।


এরপর দুপুর ২টায় তিনি যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো মানুষকে অসুস্থ হওয়া থেকে দূরে রাখা। আমরা যদি দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই; তাহলে সুস্থ একটি জাতি প্রয়োজন।
রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি গবেষক হত্যা: তদন্তে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে ঘিরে রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনা ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে রূপ নিয়েছে। সিএনএন জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। নাহিদা বৃষ্টি এখনও নিখোঁজ, তবে তদন্তকারীদের আশঙ্কা, তাকেও হত্যা করা হয়েছে।
আদালতে দাখিল করা নথি অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা ক্যাম্পাস ও আশপাশ এলাকায় শেষবার দেখা যায় ২৭ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে। ১৭ এপ্রিল তাদের নিখোঁজের খবর জানানো হয়। পরে ২৪ এপ্রিল টাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে লিমনের মরদেহ উদ্ধার হয়। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।
সিএনএন প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তের শুরুতে অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহ পুলিশকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন। কখনও তিনি দাবি করেন, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীকে সেদিন দেখেননি। পরে মোবাইল ফোনের লোকেশন ও অন্যান্য তথ্য সামনে আসার পর বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তদন্তকারীরা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে রক্তের আলামত, ১৬ এপ্রিলের একটি কেনাকাটার রসিদ এবং সন্দেহজনক কিছু উপকরণের তথ্যও পেয়েছেন।
প্রসিকিউটররা আদালতে বলেছেন, “অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ধরন অত্যন্ত নির্মম ও সহিংস।” তাদের দাবি, বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারেই রাখা উচিত। মঙ্গলবারের প্রি ট্রায়াল শুনানিতে এ বিষয়ে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হবে।
নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখনো শনাক্ত না হলেও হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের দক্ষিণের জলপথ থেকে মানবদেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস। যদিও সেগুলোর পরিচয় নিশ্চিত হয়নি।
নিহত জামিল আহমেদ লিমন পরিবেশ ও জলাভূমি গবেষণায় কাজ করছিলেন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার ইচ্ছা ছিল তার। অন্যদিকে নাহিদা বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মেধাবী গবেষক ছিলেন। পরিবার বলছে, তারা শুধু সত্য জানতে চায়।
লিমন ও বৃষ্টির পরিবার যৌথ বিবৃতিতে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার, মরদেহ দেশে পাঠানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় সহযোগিতাও চেয়েছে তারা।
তদন্তে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও মৃতদেহ সরানো, প্রমাণ নষ্ট, মৃত্যু গোপন এবং অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে মামলাটি আরও গুরুতর মোড় নিয়েছে।
এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রশ্নেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে ঘিরে রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনা ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে রূপ নিয়েছে। সিএনএন জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। নাহিদা বৃষ্টি এখনও নিখোঁজ, তবে তদন্তকারীদের আশঙ্কা, তাকেও হত্যা করা হয়েছে।
আদালতে দাখিল করা নথি অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা ক্যাম্পাস ও আশপাশ এলাকায় শেষবার দেখা যায় ২৭ বছর বয়সী দুই শিক্ষার্থীকে। ১৭ এপ্রিল তাদের নিখোঁজের খবর জানানো হয়। পরে ২৪ এপ্রিল টাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে লিমনের মরদেহ উদ্ধার হয়। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।
সিএনএন প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তের শুরুতে অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহ পুলিশকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন। কখনও তিনি দাবি করেন, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীকে সেদিন দেখেননি। পরে মোবাইল ফোনের লোকেশন ও অন্যান্য তথ্য সামনে আসার পর বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তদন্তকারীরা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে রক্তের আলামত, ১৬ এপ্রিলের একটি কেনাকাটার রসিদ এবং সন্দেহজনক কিছু উপকরণের তথ্যও পেয়েছেন।
প্রসিকিউটররা আদালতে বলেছেন, “অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ধরন অত্যন্ত নির্মম ও সহিংস।” তাদের দাবি, বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারেই রাখা উচিত। মঙ্গলবারের প্রি ট্রায়াল শুনানিতে এ বিষয়ে আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হবে।
নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখনো শনাক্ত না হলেও হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের দক্ষিণের জলপথ থেকে মানবদেহের অবশিষ্টাংশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস। যদিও সেগুলোর পরিচয় নিশ্চিত হয়নি।
নিহত জামিল আহমেদ লিমন পরিবেশ ও জলাভূমি গবেষণায় কাজ করছিলেন। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, পিএইচডি শেষে দেশে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার ইচ্ছা ছিল তার। অন্যদিকে নাহিদা বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মেধাবী গবেষক ছিলেন। পরিবার বলছে, তারা শুধু সত্য জানতে চায়।
লিমন ও বৃষ্টির পরিবার যৌথ বিবৃতিতে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার, মরদেহ দেশে পাঠানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় সহযোগিতাও চেয়েছে তারা।
তদন্তে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও মৃতদেহ সরানো, প্রমাণ নষ্ট, মৃত্যু গোপন এবং অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে মামলাটি আরও গুরুতর মোড় নিয়েছে।
এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা প্রশ্নেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন।























































