দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার, শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার দুপুর ১২টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
আজ ০৯ মে, ২০২৬ শনিবার এক প্রতিবেদনে আনন্দবাজার এ তথ্য জানিয়েছে।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই সমগ্র কলকাতা শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিল। ব্রিগেডের ময়দানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। অনুষ্ঠানের শুরুতে হুডখোলা গাড়িতে চড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য সভাস্থলে প্রবেশ করেন। এ সমং উপস্থিত জনতার অভিবাদনের জবাবে হাত নাড়েন।
মঞ্চে উঠে প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শুভেন্দু অধিকারীর এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি কার্যত ভারতীয় রাজনীতির নক্ষত্র সমাবেশে পরিণত হয়েছিল। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি ও শিবরাজ সিংহ চৌহানের মতো শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা-যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, চন্দ্রবাবু নায়ডু, মানিক সাহা ও সম্রাট চৌধরি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও অগ্নিমিত্রা পালের উপস্থিতি মঞ্চের জৌলুস আরও বাড়িয়ে দেয়।
নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বিধানসভায় তার দাপ্তরিক কক্ষ সাজানোর কাজ সম্পন্ন করেছেন। সেখান থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামফলক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আজকের এই ঐতিহাসিক ক্ষণের সাক্ষী হতে দূর-দূরান্তের জেলা থেকে শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশনে কর্মী-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ড্রোনের মাধ্যমে কড়া নজরদারি এবং কড়া পুলিশি পাহারায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই বর্ণাঢ্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার দুপুর ১২টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই ঐতিহাসিক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক
জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে ইতিবাচক সাড়া না পেলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নাহিদের
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে সরকার ছলচাতুরী করছে।
তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে। তবে সরকার যদি ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।
তাঁর ভাষায়, “জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।”
অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
বিএনপির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও ক্ষমতায় আসার পর তারা এর বিরোধিতা করছে। এর মাধ্যমে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করছে।”
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে বললেন, জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে সরকার ছলচাতুরী করছে।
রাজনীতি
কফিন ধরেই নির্বাক বাবা-মা; স্বপ্নভরা চোখে দেশে ফেরার কথা থাকলেও বৃষ্টি ফিরেছেন লাশ হয়ে!
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছাল। পড়ালেখা শেষ করে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে স্বপ্নভরা চোখে দেশে ফেরার কথা ছিল নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। কিন্তু সেই ফেরা হলো কফিনবন্দি লাশ হয়ে। স্বপ্ন যেন বিষাদে পরিণত হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে কফিন ধরে বাবা-মায়ের আহাজারি আর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
মরদেহ গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন তার মা-বাবা, মামাসহ পরিবারের সদস্যরা। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে একটি হায়েস গাড়িতে করে তারা বিমানবন্দরে আসেন। এ সময় তাদের শোকে বিহ্বল দেখা যায়।
জানা গেছে, মরদেহবাহী কফিনটি বিমানবন্দরে আনার পর স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। কেউ কফিন ছুঁয়ে শেষবারের মতো বৃষ্টিকে ডাকছিলেন, আবার কেউ নির্বাক দাঁড়িয়ে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরে বাদ আসর নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দাদা-দাদির কবরের পাশেই তাকে দাফন করা হবে।
ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটসের ইকে-০২২০ ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। দুবাইয়ে ট্রানজিট শেষে এমিরেটসের ইকে-০৫৮২ ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছে। মরদেহ বিমানে তোলার সময় অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুেলটের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার টাম্পায় বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। একই ঘটনায় নিহত জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে পৌঁছায়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জামিল আহমেদ লিমন (২৭) যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। অন্যদিকে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছাল। পড়ালেখা শেষ করে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে স্বপ্নভরা চোখে দেশে ফেরার কথা ছিল নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। কিন্তু সেই ফেরা হলো কফিনবন্দি লাশ হয়ে। স্বপ্ন যেন বিষাদে পরিণত হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছালে কফিন ধরে বাবা-মায়ের আহাজারি আর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।
এর আগে স্থানীয় সময় বুধবার টাম্পায় বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। একই ঘটনায় নিহত জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত ৪ মে দেশে পৌঁছায়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জামিল আহমেদ লিমন (২৭) যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। অন্যদিকে, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
আন্তর্জাতিক
নবায়নযোগ্য জ্বালানির অগ্রাধিকার নিশ্চিতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি তরুণদের
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ঢাকায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ুকর্মীরা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি করেছেন তাঁরা। একই সঙ্গে খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সেক্টর মহাপরিকল্পনায় (ইপিএসএমপি) নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন তরুণেরা।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এসব দাবি জানানো হয়। ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও ইয়ুথ ফর এনডিসির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক তরুণ জলবায়ুকর্মী অংশ নেন। ব্যানার, পোস্টার ও স্লোগানের মাধ্যমে তাঁরা তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানির আর্থিক চাপ এবং পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন। ‘ভুয়া সমাধান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি চাই’—এমন স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
সমাবেশে ইয়ুথনেট গ্লোবাল নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, দ্রুত ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে হবে। খসড়া ইপিএসপিএম-এ নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমদানিনির্ভর ব্যয়বহুল এলএনজির আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই, এখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে।
ইয়ুথ ফর এনডিসির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আমানউল্লাহ পরাগ বলেন, বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা, অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার মূল্য আমরা আর দিতে পারি না। বিদ্যুৎ-জ্বালানির খরচ বহন করতে গিয়ে আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে এবং প্রতিদিন বেঁচে থাকা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। আমাদের আরও সাশ্রয়ী জ্বালানি দরকার, আর সে জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে।
এবারের জলবায়ু ধর্মঘট এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে উচ্চমূল্যে এলএনজি, তেল ও কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতির ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় রুপ্তানিমুখী শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশকে বারবার বৈশ্বিক সংকটে চ্যালেঞ্জে পড়তে হচ্ছে। দাম বাড়ছে এবং বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের চাপে সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই বিপর্যস্ত। তাঁরা সতর্ক করেন, নতুন করে জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো হলে এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর।
জলবায়ুকর্মীরা স্মরণ করিয়ে দেন, সরকারি ভবনগুলোতে ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে ৩ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পূর্বঘোষিত লক্ষ্য এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
জলবায়ুকর্মীরা বলেন, সৌর সরঞ্জামের ওপর উচ্চ কর, বিনিয়োগে জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বাধা তৈরি করছে। তাই সৌর সরঞ্জামের ওপর কর কমানো, দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের দাবি জানান তাঁরা। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) সম্প্রসারণের সাম্প্রতিক সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও তরুণেরা বলেন, শুধু নীতিগত ঘোষণা যথেষ্ট নয়—বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে।
তরুণদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যানসিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব আরও বেশি, কারণ দেশটি এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। তিনি বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা নিচ্ছে, যা ইতিবাচক। তবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট কৌশল ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল বলেন, চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের বাস্তবতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়নের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আমাদের স্বাধীনতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, একই সময়ে দেশের ৫০টি জেলায়ও অনুরূপ জলবায়ু ধর্মঘট কর্মসূচি পালিত হয়েছে, যেখানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
ঢাকায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ুকর্মীরা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবি করেছেন তাঁরা। একই সঙ্গে খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সেক্টর মহাপরিকল্পনায় (ইপিএসএমপি) নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন তরুণেরা।
জাতীয়
দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে, তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়: নওগাঁর আত্রাইয়ে মির্জা ফখরুল
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রেইয়ে পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, আমাদের দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়।
আমি কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির কথা বলতে চাই না। আমি শুধু বলতে চাই আমাদের যে মূল জায়গাটা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের যে স্বকীয়তা, আমাদের যে স্বতন্ত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশি এই কথাটা আমাদের সবার আগে মনে রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি। নয় মাস যুদ্ধ করেছি। এই যুদ্ধ করেই আমরা স্বাধীনতা নিয়ে এসেছি। আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে পেয়েছি লড়াই করেই। এমনি এমনি গণতন্ত্র ফিরে পাইনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাইয়ে আমাদের সন্তানেরা সবাই মিলে যে লড়াইটা করল। আমরা একে বলি জুলাই যুদ্ধ। পরিবর্তন এসেছে, নতুন নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। যারা ফ্যাসিস্ট ছিল তারা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। অর্থনীতিকে বিদেশে লুটপাট করে নিয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করেছে। প্রশাসনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়ায়ই করেই আমরা আজকে এই অবস্থাতে এসেছি। অনেকেই চেষ্টা করছে এই পরিবর্তনটাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে। ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করত। আমরা কেউ চাই না আর দেশে কোনো গোলযোগ হোক।
তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রবীন্দ্রনাথ এখানে যখন আসতেন তিনি কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখে ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিক করার জন্য আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ শুরু করেছিলেন। এটি তার জীবনের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে, কবিতার সঙ্গের বাইরের ব্যাপার ছিল। আমি কোনো তাত্ত্বিক নই, পন্ডিতও নই, সাহিত্যের ওপর বিশেষ কোনো পাণ্ডিত্য নেই। আমি সাহিত্য ভালোবাসি, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ভালোবাসি, নজরুলের সাহিত্য ভালোবাসি সব ধরনের সাহিত্যই আমি ভালোবাসি। কিন্তু আমি নিজে কোনোকিছু লিখতে পারি না। যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে, কবিতা শুনে, কবিতা লিখে অথবা যে মানুষটি গান শুনে, গান গায় সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়।
তিনি বলেন, আমার বাবা দাপুটে একজন রাজনৈতিক ছিলেন এবং তিনি মুসলিম লীগ করতেন। প্রতিদিন সকালবেলা হাঁটতে বের হতেন। ফিরে এসে তিনি রবিন্দ্রনাথের শাজাহান কবিতা আবৃত্তি করতেন। কবিতা, পদ্য, গদ্য, নাটক, গান সকল ক্ষেত্রে রবিন্দ্রনাথের অবাধ বিচরণ ছিল। তিনি গীতাঞ্জলি লিখে গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমার প্রায় মনে হয় রবিন্দ্রনাথকে সারাজীবন পড়লেও পড়া যায় না। আমরা রাজনীতি করি, সারাজীবন রাজনীতির মধ্যে কাটিয়ে দিয়েছে। আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না। বারবার এখানে মানুষেরা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে পরিবর্তন আসেনি।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নওগাঁর আত্রেইয়ে পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, আমাদের দেশে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী আছে তারা সারাক্ষণ হতাশ হয়ে যায়। তারা বিভিন্নভাবে সমাজকে অস্থির করে রাখতে চায়।
রাজনীতি
আবারও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা; মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার মাঝে নতুন উত্তেজনা
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের এলাকায় আবারও সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘ এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির পর বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে উঠেছে।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে মার্কিন বাহিনী তাদের ভূখণ্ড ও জলসীমায় বিনা উস্কানিতে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ, বন্দর খামির ও সিরিক সংলগ্ন বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
এর প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী হরমুজ প্রণালির পূর্ব দিকে এবং চাবাহার বন্দরের দক্ষিণে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর ওপর আক্রমণ চালায়।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌকার মাধ্যমে হামলা চালায় ইরান। ইউএসএস ট্রক্সটুন, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা ও ইউএসএস মেসন নামক তিনটি ডেস্ট্রয়ারকে লক্ষ্য করে এই আক্রমণ চালানো হয়েছিল বলে পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে।
সেন্টকমের দাবি, মার্কিন বাহিনী কেবল আত্মরক্ষার স্বার্থে ইরানের সেই সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে যেখান থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছিল। তবে এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পদের ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
পুরো ঘটনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে মন্তব্য করেছেন। এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হামলাকে ‘জাস্ট আ লাভ ট্যাপ’ (সামান্য আঘাত) হিসেবে অভিহিত করেন। ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধবিরতি এখনও কার্যকর আছে। তবে কেউ আমাদের সঙ্গে ছিনিমিনি খেললে আমরা বসে থাকব না।
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের এলাকায় আবারও সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দীর্ঘ এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতির পর বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে শুরু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক
‘আ.লীগ ৫ বছরে যা করতে পারেনি, আমরা তা ২ মাসেই করেছি’: হুইপ জি কে গউছ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। আমরা মানুষের কাছে তার বিপরীত চিত্র উপহার দেব। এখন মানুষ আর ধোঁকা খাবেন না। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করতে পারেনি, আমরা তা দুই মাসেই করেছি।
তিনি বলেন, আমরা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন চাই। নিজেরা কেউ দুর্নীতি করব না, অন্যকেও দুর্নীতি করতে দেব না।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে হবিগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যেই শুরু হওয়ায় জেলা বিএনপি আয়োজিত আনন্দ র্যা লিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এখন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের সময় দেওয়া অমোচনীয় কালি আঙুল থেকে মুছার আগেই আমরা নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি। বিএনপি ওয়াদা করেছিল ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করবে। ইতোমধ্যেই আমাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ওয়াদা পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দল বলেছিল দেশের মায়েদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। সেটিও দেওয়া শুরু হয়েছে। আগামী মাস থেকে হবিগঞ্জেও ইনশাআল্লাহ ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হবে। বিএনপি ওয়াদা করেছিল ক্ষমতায় গেলে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। পহেলা বৈশাখ সারা দেশে কৃষক কার্ড চালু হয়েছে। এভাবে বিএনপি মানুষের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করছে।
হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে র্যা লিটি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। এতে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, হাজী এনামুল হক, শ্রমিক দল সভাপতি ইসলাম তরফদার তনু, সাধারণ সম্পাদক এসএম বজলুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, যুবদল আহ্বায়ক জালাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু প্রমুখ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বলেছেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়েছে। আমরা মানুষের কাছে তার বিপরীত চিত্র উপহার দেব। এখন মানুষ আর ধোঁকা খাবেন না। আওয়ামী লীগ পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন করতে পারেনি, আমরা তা দুই মাসেই করেছি।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে হবিগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যেই শুরু হওয়ায় জেলা বিএনপি আয়োজিত আনন্দ র্যা লিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনীতি
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত তাবাসসুম। এ সময় ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল। তবে নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা নিয়ে আপত্তি তোলে নির্বাচন কমিশন। পরে সময়সীমা অতিক্রমের কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের রায়ের পর পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপরই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পথ খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনি ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তবে এখনো বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েছি।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এর তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে এই শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।
শপথ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সচিবের কার্যালয়ে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন নুসরাত তাবাসসুম। এ সময় ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ছিল। তবে নুসরাত তাবাসসুম ৪টা ১৯ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দেন, যা নিয়ে আপত্তি তোলে নির্বাচন কমিশন। পরে সময়সীমা অতিক্রমের কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি।
পরবর্তীতে বিষয়টি আদালতে গড়ায়। উচ্চ আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের রায়ের পর পুরো প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপরই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পথ খুলে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই শপথ শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আইনি ব্যাখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। তবে এখনো বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, “আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়েছি।”
জাতীয়
আলোচিত শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।
এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
আলোচিত খবর
ভিভিআইপি প্রটোকল ভেঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তাঁর বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন।
আজ বুধবার (৬ মে, ২০২৬) সকালে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ানবাজার প্রান্তে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার পথে ঘটে এ ঘটনা।
সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর বনানী এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কারওয়ানবাজার এফডিসি মোড়ের দিকে এগোচ্ছিল। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স।
অ্যাম্বুলেন্সটি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরের পেছনে সাইরেন বাজাতে বাজাতে বহর অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি বুঝে অতি জরুরি সেবার এই গাড়িকে সাইড দিতে বহরে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে কর্মকর্তারাও অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেন।
বাংলাদেশে ভিভিআইপি বহরের কারণে সড়কে অন্য যানবাহনকে অপেক্ষা করতে দেখে আসছে জনগণ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর জনাব তারেক রহমান সেই প্রটোকল ও রীতি ভাঙলেন। সবার ওপরে জনগণ- এই মর্মে তিনি দেশ পরিচালনা করছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তাঁর বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন।
আলোচিত খবর
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদযাত্রা শুরু ১৩ মে থেকে, এবার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট মিলবে শুধু অনলাইনে
টাঙ্গাইল দর্পণ ডেস্ক:
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভিড় সামাল দিতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আগামি ১৩ মে, ২০২৬ বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু হবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। একই সঙ্গে ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। পরদিন ১৪ মে পাওয়া যাবে ২৪ মে’র, ১৫ মে মিলবে ২৫ মে’র টিকিট। এরপর ১৬ মে দেওয়া হবে ২৬ মে’র এবং ১৭ মে বিক্রি করা হবে ২৭ মে’র টিকিট। ঈদ ঘিরে যাত্রীদের চাপ বিবেচনায় রেখে এই ধাপে ধাপে টিকিট বিক্রির সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে। ওই দিন মিলবে ৩১ মে’র টিকিট। ২২ মে পাওয়া যাবে ১ জুনের, ২৩ মে মিলবে ২ জুনের, ২৪ মে দেওয়া হবে ৩ জুনের এবং ২৫ মে বিক্রি হবে ৪ জুনের টিকিট। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ইস্যু করা হবে।
যাত্রীসেবায় ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে ছাড়া হবে। একজন যাত্রী ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার জন্য সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
রেলওয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি টিকিট কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া যাবে না। তবে যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাবে এবং টিকিট কেনার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করবে। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভিড় সামাল দিতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
আগামি ১৩ মে, ২০২৬ বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু হবে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। একই সঙ্গে ঈদের পর ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ মে বিক্রি হবে ২৩ মে’র যাত্রার টিকিট। পরদিন ১৪ মে পাওয়া যাবে ২৪ মে’র, ১৫ মে মিলবে ২৫ মে’র টিকিট। এরপর ১৬ মে দেওয়া হবে ২৬ মে’র এবং ১৭ মে বিক্রি করা হবে ২৭ মে’র টিকিট। ঈদ ঘিরে যাত্রীদের চাপ বিবেচনায় রেখে এই ধাপে ধাপে টিকিট বিক্রির সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে। ওই দিন মিলবে ৩১ মে’র টিকিট। ২২ মে পাওয়া যাবে ১ জুনের, ২৩ মে মিলবে ২ জুনের, ২৪ মে দেওয়া হবে ৩ জুনের এবং ২৫ মে বিক্রি হবে ৪ জুনের টিকিট। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ইস্যু করা হবে।
যাত্রীসেবায় ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে ছাড়া হবে। একজন যাত্রী ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রার জন্য সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
রেলওয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি টিকিট কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া যাবে না। তবে যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবস্থা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাবে এবং টিকিট কেনার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করবে। ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
মক্কায় আরও ২ বাংলাদেশি হজ্জযাত্রীর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়াল ৯
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশি হজ্জযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর হজ্জ মৌসুমে বাংলাদেশি মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। সোমবার (৪ মে, ২০২৬) দিবাগত রাত ৩টায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ্জ পোর্টালের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ মারা যাওয়া দুইজন হলেন ফরিদপুর সদরের মো. নাসিরউদ্দিন বিশ্বাস (৫৮) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেলের মাহফুজা বেগম (৫২)। তারা দুজনই বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গিয়েছিলেন এবং মক্কায় ইন্তেকাল করেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের মৃত্যু স্বাভাবিক কারণে হয়েছে।
চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে ৮ জন পুরুষ এবং একজন নারী। তাদের মধ্যে ৭ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। হজ মৌসুম শুরুর পর থেকে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
হজ্জ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১১৮টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪৬ হাজার ৫১৪ জন বাংলাদেশি হজ্জযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪ হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৪ হাজার ৪৪৩ জন।
ফ্লাইট পরিচালনায় রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালনা করেছে ৫৪টি ফ্লাইট, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪৩টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন।
হজ্জযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। চলমান হজ্জ কার্যক্রমের মধ্যে মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগ তৈরি করলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, “পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।”
বাংলাদেশি হজ্জযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর হজ্জ মৌসুমে বাংলাদেশি মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ জনে। সোমবার (৪ মে, ২০২৬) দিবাগত রাত ৩টায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ্জ পোর্টালের নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়তে সরকার–নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজের আহ্বান
টাঙ্গাইল দর্পণ নিউজ ডেস্ক:
অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে শক্তিশালী নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ এবং তরুণদের কার্যকর সম্পৃক্ততাকে টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বক্তারা।
রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে “নাগরিকতা” কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত নীতিসংলাপ ও নেটওয়ার্কিং সভায় এসব মত উঠে আসে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের সহায়তায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজের সংগঠন এবং তরুণ নেতারা অংশ নেন। লক্ষ্য ছিল উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার করা।
উদ্বোধনী পর্বের প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বিষয়ক বিশেষ সহকারী মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের যৌথ অংশগ্রহণ ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ধর্ম, জাতি বা পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান সুযোগ ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নাগরিক সমাজের গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানান তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভূমিকা আরও দৃশ্যমান হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তরুণরাই আজ পরিবর্তনের অন্যতম চালিকাশক্তি।”
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী আইন, মানবাধিকার রক্ষাকারীদের সুরক্ষা, লিঙ্গসমতা এবং তরুণদের অংশগ্রহণ—এই চারটি বিষয় এখন অগ্রাধিকার পাওয়া জরুরি। তিনি বলেন, ২০১৩ সাল থেকে আলোচনায় থাকলেও বৈষম্যবিরোধী আইন এখনো প্রণয়ন হয়নি, যা রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি নির্দেশ করে। মানবাধিকারকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা প্রধান মিকায়েল ক্রেজা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি “রূপান্তরকালীন মুহূর্তের” মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, নাগরিক সমাজকে আরও কার্যকরভাবে শাসন ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে একটি সিভিল সোসাইটি রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ বলেন, বৈষম্যবিরোধী আইন দ্রুত প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, মানবাধিকারকর্মীরা রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ নন, বরং উন্নয়ন ও জবাবদিহির অংশীদার।
কানাডার প্রতিনিধি স্টিফেন উইভার বলেন, ভিন্ন মত থাকলেও অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
তরুণদের পক্ষে ইয়ুথনেট গ্লোবাল'র নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, তরুণদের শুধু সুবিধাভোগী হিসেবে নয়, বরং নীতিনির্ধারণের অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
তিনি বলেন, “টোকেনিজম থেকে প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি, সুবিধাভোগী থেকে অংশীদারত্ব, আর নিয়ন্ত্রণ থেকে সহায়ক নাগরিক পরিসর এই পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।”
অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা, বৈষম্যহীন দেশ গড়তে শক্তিশালী নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ এবং তরুণদের কার্যকর সম্পৃক্ততাকে টেকসই উন্নয়নের মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বক্তারা।
জাতীয়
আগামি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে বাড়তে পারে সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন-ভাতা
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে ২০১৫ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকেই নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য পুনর্গঠিত কমিটি ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্বিন্যাসের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে একবারে পুরো বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আগামী জুলাই থেকে মূল বেতন (বেসিক) বাড়ানো হবে। পরবর্তী ধাপগুলোতে চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে।
সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন কোনো বেতন কাঠামো চালু হয়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার নবম পে-স্কেল প্রণয়নে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করে। পরবর্তীতে কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল তা পর্যালোচনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোয় বেতনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারী সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা বেতন পান, যার মধ্যে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। নতুন প্রস্তাবে তার মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এতে ভাতাসহ মোট বেতন দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি।
তবে এই পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের উচ্চপর্যায়ের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হলে বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আর্থিক চাপ মোকাবিলায় সরকারি চাকরিজীবীরা বড় ধরনের স্বস্তি পাবেন। একই সঙ্গে আসন্ন বাজেটে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে ২০১৫ সালের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলে আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকেই নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো কার্যকর হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য পুনর্গঠিত কমিটি ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাতীয়
ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে: হেফাজতে ইসলাম
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
আজ শনিবার (০২ মে, ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বিচার নিশ্চিতের বার্তা প্রেরণ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের লাখো জমায়েতের ওপর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পরিকল্পিত নৃশংস গণহত্যায় অগণিত ধর্মপ্রাণ মানুষ শহীদ হন। হাজার হাজার আলেম, হাফেজ ও নবীপ্রেমিক জনতা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেন। আমরা ৫ মের মহান শহীদদের স্মরণে সারা দেশে দোয়া ও আলোচনাসভার আয়োজন করার জন্য হেফাজতের নেতাকর্মীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।হেফাজত নেতারা আরো বলেন, ৫ মের গণহত্যার দায়ে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে করা মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের জোর দাবি, দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে শাপলার খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করুন।
তারা দুঃখের সঙ্গে বলেন, ২০১৩ সালে ৫ মের গণহত্যার প্রতিবাদে সবাই মাঠে নামলে পরবর্তীতে চব্বিশের জুলাই ম্যাসাকার দেখতে হতো না। তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা, ইসলামবিদ্বেষী সেক্যুলারদের উসকানি ও সুশীল সমাজের বড় অংশের নীরবতার মধ্য দিয়েই ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটতে পেরেছিল বলে আমরা মনে করি।
হেফাজত নেতারা আরো বলেন, ২০১৩ সালে ইসলামবিদ্বেষী ও আধিপত্যবাদীদের প্রজেক্ট গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে শাপলার চেতনা রুখে না দাঁড়ালে অচিরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব লুণ্ঠিত হতো। প্রতিবাদী আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থিদেরকে ‘না-মানুষ’ বানানো ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে শাপলার রক্তাক্ত চেতনা জাগ্রত রাখতে হবে। এছাড়া বর্তমান সরকার প্রত্যেক নাগরিকের মানবিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষায় ব্যর্থ হলে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। এটি সরকারকে মাথায় রাখতে হবে।
২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে দাবি জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
আলোচিত খবর
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ শনিবার (০২ মে, ২০২৬) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন রমনা মডেল থানা পরিদর্শনকালে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন।
পরিদর্শনকালে তিনি থানার বিভিন্ন কক্ষ ও হাজতখানাসহ সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। মন্ত্রী থানার ওসি ও ডিউটি অফিসারসহ কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
তিনি সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ জনগণকে (সেবাগ্রহীতাদের) সেবা প্রদানের জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কারো বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের রিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন।
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
জাতীয়
এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন জালিয়াতি ও প্রতারণা চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
সম্প্রতি র্যাবের গোয়েন্দা শাখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় একটি চক্রের তথ্য পায়, যারা “এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস” সংক্রান্ত ভুয়া প্রচারণা চালিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করছিল এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অপচেষ্টা করছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে র্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ২৯ এপ্রিল রাতে ডিএমপি, ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানাধীন হাসান নগর ঝাউলাহাটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১। মো: সাজেদুল ইসলাম সাইফ (২৪), পিতা- মো: সফিকুল ইসলাম, সাং- জঙ্গল বাড়ী, থানা- কামরাঙ্গীরচর, ডিএমপি, ঢাকা ও ২। তাউসিফ রহমান রিসাদ (২৩), পিতা- মো: রিপন হোসেন রাজ, সাং- ইসলাম বাগ, থানা- লালবাগ, ডিএমপি, ঢাকা’দ্বয়কে আটক করা হয়।
এসময় তাদের নিকট হতে ০৪ (চার) টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩,৭০০/- (তিন হাজার সাতশত টাকা) উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় প্রায় ০৬ মাস পূর্বে ব্যাটম্যান ওয়াইল্ড ও ব্যাটমাননামে টেলিগ্রাম গ্রুপ খোলার মাধ্যমে একটি সংগঠিত চক্র হিসেবে কাজ করছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক’সহ টেলিগ্রামে “এসএসসি-২০২৬” পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসসমূহ জব্দ করা হয়েছে এবং সেগুলো বিশ্লেষণে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র্যাব মনে করে, এ ধরনের কার্যক্রম শুধু আইনত দ-নীয় নয়, বরং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে। এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে র্যাব সর্বদা তৎপর রয়েছে। সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান এ ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করুন এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে দ্রুত র্যাব’কে অবহিত করুন।
সম্প্রতি র্যাবের গোয়েন্দা শাখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় একটি চক্রের তথ্য পায়, যারা “এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস” সংক্রান্ত ভুয়া প্রচারণা চালিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করছিল এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অপচেষ্টা করছিল। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে র্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
জাতীয়
কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে জানালেন, “প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট হবে কি না।”
আমির খসরু মাহমুদ জানান, “বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন- বিএনপি সরকারের সব নিয়োগ ছিল অরাজনৈতিক। সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণেই বিএনপি সরকারের সময় কোনো আর্থিক বিশৃঙ্খলা বা শেয়াবাজার লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমান গভর্নর কোনো দলের ব্যক্তি নন, তিনি বড়জোর কোনো দলের সমর্থক হতে পারেন। তবে তার যোগ্যতা থাকলে নিয়োগে কোনো বাধা নেই।”
‘বিরোধীদলীয় নেতা কিছু মন্তব্য করেছেন। আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এই ধরনের আলোচনার কোনো সুযোগ ছিল না এখানে। সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে হচ্ছে। যেহেতু ওনারা প্রশ্ন তুলেছেন, আমাদের উত্তর দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশের বিগত সরকারগুলো যদি দেখেন,যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে, সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট। সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট, আমি ক্লিয়ারলি বলতে চাই। যে কারণে বাংলাদেশের আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিএনপি সরকারের সময় কোনো সমস্যা হয়নি।’-উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “সব সময় আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় ছিল। কোনো সময় শেয়ারবাজার লুটপাট হয়নি। কারণ, বিএনপির অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো কোনো সময় পলিটিক্যাল কনসিডারেশনে হয়নি এবং যোগ্য ব্যক্তিদের সেখানে দেওয়া হয়েছে। সেই ধারা এই সরকার অব্যাহত রাখবে- এটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই। আপনারা যখন বিগত দিনগুলোতে দেখবেন, এই বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময় যখন গভর্নরের বয়স বাড়িয়েছে, তো সেই সময় তো আপনারা কোনো আপত্তি তোলেননি। গভর্ণরের এজ আমরা বাড়াইনি, এটা বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময়ে বাড়ানো হয়েছে।”
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে জানালেন, “প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট হবে কি না।”
‘বিরোধীদলীয় নেতা কিছু মন্তব্য করেছেন। আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এই ধরনের আলোচনার কোনো সুযোগ ছিল না এখানে। সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে হচ্ছে। যেহেতু ওনারা প্রশ্ন তুলেছেন, আমাদের উত্তর দিতে হচ্ছে। বাংলাদেশের বিগত সরকারগুলো যদি দেখেন,যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে, সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট। সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট, আমি ক্লিয়ারলি বলতে চাই। যে কারণে বাংলাদেশের আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিএনপি সরকারের সময় কোনো সমস্যা হয়নি।’-উল্লেখ করেন তিনি।
জাতীয়
রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে হঠাৎ উধাও গাড়ির দীর্ঘ লাইন, নেপথ্যে কী?
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
রাজধানী ঢাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে হঠাৎই উধাও গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কয়েকদিন আগেও যেখানে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হতো, সেটি এখন একেবারেই নেই। ক্রেতার ভিড় না থাকায় এখন অনেক ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন।
বুধবার নীলক্ষেত (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন) এলাকার কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, খোশ গল্পে মেতেছেন কর্মচারী হৃদয় ও সোহেল। একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে তেল দিয়ে তাদের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দেন নাহিদ। তাদের গল্পের কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নেই। ক্রেতা না থাকায় গল্প করছেন পাম্পের এই কর্মচারীরা।

হৃদয় বলেন, ‘তেল নিয়ে আমরা পাম্পে বসে আছি, কিন্তু কাস্টমার নেই। গত তিন ঘণ্টায় ৫০ জনেরও কম ক্রেতা তেল নিতে এসেছে।’
কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ এলাকার পূর্বাচল ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুর থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিনি মাত্র দুজন মোটরসাইকেল চালককে অকটেন দিয়েছেন। প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় আরেকজন মোটরসাইকেল চালক আসেন। তাকে তেল দিতে দিতে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও এখানে তেল দিতে হিমশিম খেতে হতো। লম্বা লাইনের কারণে ভিড় লেগে যেত। এখন তেল নিয়ে বসে আছি, কিন্তু ক্রেতা নেই।’
মৎস্য ভবন এলাকার রমনা পেট্রোল পাম্প, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার, পূর্বাচল ট্রেডার্স, নীলক্ষেতের কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং এবং এলিফ্যান্ট রোডের রহমান অ্যান্ড কোং পাম্প ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়। কোথাও ২ থেকে ৩টি মোটরসাইকেল, কোথাও সংখ্যায় একটু বেশি, তবে কোনো ফিলিং স্টেশনেই আগের মতো মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন নেই। ক্রেতারা আসা মাত্রই চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন।

বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমন হোসেন বলেন, ‘ফুয়েল পাসের মাধ্যমে তেল নিয়েছি, লাইনে তেমন ভিড় ছিল না। প্যানিক কমে যাওয়ায় লাইনও কমে গেছে। সরবরাহ বাড়ানোর কারণেও লাইন কমতে পারে।’
পাম্প কর্তৃপক্ষ ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে লাইন কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়া, জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু হওয়া।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জ্বালানি বিভাগ এক বার্তায় রাজধানীর ১১টি পাম্পে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোডভিত্তিক ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু করে।
এছাড়া গত ২১ এপ্রিল জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করে সরকার। ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এরপর থেকেই মূলত আতঙ্ক কমতে থাকে। পাশাপাশি ক্রেতাদের লাইনও কমতে থাকে।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক নাজমুল হক বলেন, ‘মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে আর লাইন নেই। সরবরাহ বাড়ানোর ফলেও এই পরিবর্তন এসেছে। আমরা শুরু থেকেই সরকারকে বলে আসছিলাম, সরবরাহ বাড়ালে লাইন থাকবে না। এখন সেটাই হয়েছে।’
মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকট শুরুর পর থেকেই সরকার একাধিকবার জানিয়ে আসছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। তবে সে সময় জনমনে তৈরি হওয়া আতঙ্কের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে তেল সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা দিতে থাকে।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাসে নিবন্ধনের জন্য কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সেখানে প্রায় ৫০ জন মোটরসাইকেল চালককে পাওয়া যায়। তারা তেল নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। দিন কয়েক আগেও এখানে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি দেখা যেত। তবে এই পাম্পে ফুয়েল পাস ছাড়া মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের হেড অব বিজনেস অপারেশন হেমোলাল মন্ডল (হিমালয়) বলেন, ‘সরকার সরবরাহ বাড়িয়েছে। আমরাও মানুষের চাহিদা মতো দিচ্ছি। মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক ছিল, তা কমেছে। ফলে লাইন একদম নেই বললেই চলে। এছাড়া আমরা ফুয়েল পাস ছাড়া তেল না দেওয়ায় লাইন কমে গেছে।’
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি মোটরসাইকেল ফুয়েল পাসে নিবন্ধিত হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। দিন দিন আবেদন বেড়েই চলছে। সূত্র: বাসস
রাজধানী ঢাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে হঠাৎই উধাও গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কয়েকদিন আগেও যেখানে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হতো, সেটি এখন একেবারেই নেই। ক্রেতার ভিড় না থাকায় এখন অনেক ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন।
বুধবার নীলক্ষেত (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন) এলাকার কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং ফিলিং স্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, খোশ গল্পে মেতেছেন কর্মচারী হৃদয় ও সোহেল। একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে তেল দিয়ে তাদের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দেন নাহিদ। তাদের গল্পের কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নেই। ক্রেতা না থাকায় গল্প করছেন পাম্পের এই কর্মচারীরা।

হৃদয় বলেন, ‘তেল নিয়ে আমরা পাম্পে বসে আছি, কিন্তু কাস্টমার নেই। গত তিন ঘণ্টায় ৫০ জনেরও কম ক্রেতা তেল নিতে এসেছে।’
কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ এলাকার পূর্বাচল ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুর থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিনি মাত্র দুজন মোটরসাইকেল চালককে অকটেন দিয়েছেন। প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় আরেকজন মোটরসাইকেল চালক আসেন। তাকে তেল দিতে দিতে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও এখানে তেল দিতে হিমশিম খেতে হতো। লম্বা লাইনের কারণে ভিড় লেগে যেত। এখন তেল নিয়ে বসে আছি, কিন্তু ক্রেতা নেই।’
মৎস্য ভবন এলাকার রমনা পেট্রোল পাম্প, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ের মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার, পূর্বাচল ট্রেডার্স, নীলক্ষেতের কিউ. জে. সামদানি অ্যান্ড কোং এবং এলিফ্যান্ট রোডের রহমান অ্যান্ড কোং পাম্প ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়। কোথাও ২ থেকে ৩টি মোটরসাইকেল, কোথাও সংখ্যায় একটু বেশি, তবে কোনো ফিলিং স্টেশনেই আগের মতো মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন নেই। ক্রেতারা আসা মাত্রই চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন।

বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমন হোসেন বলেন, ‘ফুয়েল পাসের মাধ্যমে তেল নিয়েছি, লাইনে তেমন ভিড় ছিল না। প্যানিক কমে যাওয়ায় লাইনও কমে গেছে। সরবরাহ বাড়ানোর কারণেও লাইন কমতে পারে।’
পাম্প কর্তৃপক্ষ ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে লাইন কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়া, জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু হওয়া।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জ্বালানি বিভাগ এক বার্তায় রাজধানীর ১১টি পাম্পে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোডভিত্তিক ফুয়েল পাস ব্যবস্থা চালু করে।
এছাড়া গত ২১ এপ্রিল জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি করে সরকার। ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এরপর থেকেই মূলত আতঙ্ক কমতে থাকে। পাশাপাশি ক্রেতাদের লাইনও কমতে থাকে।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক নাজমুল হক বলেন, ‘মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে আর লাইন নেই। সরবরাহ বাড়ানোর ফলেও এই পরিবর্তন এসেছে। আমরা শুরু থেকেই সরকারকে বলে আসছিলাম, সরবরাহ বাড়ালে লাইন থাকবে না। এখন সেটাই হয়েছে।’
মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকট শুরুর পর থেকেই সরকার একাধিকবার জানিয়ে আসছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিত আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। তবে সে সময় জনমনে তৈরি হওয়া আতঙ্কের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে তেল সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা দিতে থাকে।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাসে নিবন্ধনের জন্য কিছুটা ভিড় দেখা গেছে। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সেখানে প্রায় ৫০ জন মোটরসাইকেল চালককে পাওয়া যায়। তারা তেল নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। দিন কয়েক আগেও এখানে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি দেখা যেত। তবে এই পাম্পে ফুয়েল পাস ছাড়া মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়িতে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের হেড অব বিজনেস অপারেশন হেমোলাল মন্ডল (হিমালয়) বলেন, ‘সরকার সরবরাহ বাড়িয়েছে। আমরাও মানুষের চাহিদা মতো দিচ্ছি। মানুষের মাঝে যে আতঙ্ক ছিল, তা কমেছে। ফলে লাইন একদম নেই বললেই চলে। এছাড়া আমরা ফুয়েল পাস ছাড়া তেল না দেওয়ায় লাইন কমে গেছে।’
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি মোটরসাইকেল ফুয়েল পাসে নিবন্ধিত হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। দিন দিন আবেদন বেড়েই চলছে। সূত্র: বাসস
আলোচিত খবর
দেশের বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেলের প্রতি লিটারের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৭৯ টাকা। নতুন এই দাম নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল, ২০২৬) সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দরে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৭৫ টাকা।
এতদিন প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৯৫ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা বেড়ে ১৯৯ টাকায় দাঁড়াল। একইভাবে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭৯ টাকা।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের উৎস পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ছে। “বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বেই মূল্য বেড়েছে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই দাম সমন্বয় করা হয়েছে,” বলেন তিনি।
সরকারের আশা, নতুন দাম নির্ধারণের ফলে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হবে। মন্ত্রী বলেন, ভোক্তারাও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি দেখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দামের চাপ, আমদানি ব্যয় এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই প্রেক্ষাপটে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এলো। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে সরবরাহ সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও এর প্রভাব সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পড়বে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে ভোজ্যতেলের নতুন দাম সাধারণ মানুষের ব্যয়ের হিসাবেও নতুন চাপ যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ১৭৯ টাকা। নতুন এই দাম নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।




















































