নিজস্ব প্রতিবেদক :
 
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব: রেডিও এবং রেডিও শ্রোতা সংঘের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে প্রযুক্তির নতুন যুগ। যা ব্যাপকভাবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত। প্রযুক্তিগত এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত ফিজিক্যাল, ডিজিটাল এবং বায়োলজিক্যাল এই তিনটি ক্ষেত্রকে একীভূত করতে যাচ্ছে। যাতে বিশ্ব তথা মানুষের জীবন ব্যবস্থায় আসবে যুুগান্তকারী পরিবর্তন। যদিও এই পরিবর্তন বাংলাদেশ তথা বিশ^ব্যাপী আগে কখনো পরিলক্ষিত হয়নি। এটি বাংলাদেশের জন্য বিশাল এক চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমসাময়িক রেডিও কন্টেন্ট ও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে শ্রোতা সংঘের সদস্যদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান নির্ভর দক্ষ ও সূক্ষ্ম দৃষ্টি সম্পন্ন করে গড়ে তোলার কলাকৌশল জানা এবং বোঝার লক্ষ্যে  আজ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব: রেডিও এবং রেডিও শ্রোতা সংঘের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি’ শীর্ষক দিনব্যাপি এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

ভয়েস অব ডি-এক্সিং (ভিওডি) এর উদ্যোগে বাংলামটরস্থ ই-ক্যাব ট্রেনিং সেন্টার আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন  রেডিও শ্রোতা ক্লাবের মোট ৩০জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব: রেডিও এবং রেডিও শ্রোতা সংঘের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 
প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্দেশ্য ছিল নানামুখী ধারণার উপর দাঁড়িয়ে থাকা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দুরূহ প্রকৃতি অনুধাবন করা  পাশাপাশি এই  বিপ্লবের পরিবর্তনগুলো জানা  ও বোঝার আলোকে রেডিও স্টেশনের সাথে রেডিও শ্রোতা সংঘের  কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন  এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রেডিও শ্রোতা ক্লাব কিভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে কার্যকরী পরিকল্পনা গ্রহণ। এছাড়া শ্রোতা সংঘের সদস্যদের জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি করার কৌশল নির্ধারণ করাও ছিল এই কর্মশালার অন্যতম একটি উদ্দেশ্য।

সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলমান এই কর্মশালার বিভিন্ন সেশনের চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যুগে রেডিও এবং রেডিও শ্রোতা সংঘের ভবিষ্যৎ শঙ্কা-সম্ভাবনা ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি গ্রহণে রেডিও শ্রোতা সংঘের ভূমিকা, রেডিও শ্রোতা সংঘ-এ ভয়েস অব ডি-এক্সিং (ভিওডি) : জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক, জব ও জব ক্রিয়েশন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে যোগাযোগের ভূমিকা এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন ও সরকারী কর্মসূচিতে রেডিও শ্রোতা সংঘের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

 চতুর্থ শিল্প বিপ্লব: রেডিও এবং রেডিও শ্রোতা সংঘের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য প্রস্তুতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কর্মশালায় উল্লেখিত বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করেন- জনাব এএইচএম বজলুর রহমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও এন্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি),  জনাব এমএ হক অনু, জনাব নাজের-ই-জিলানী, যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ধর্মতত্ত্ব,  জনাব প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল আলম, জনাব আশিক ইকবাল টোকন, জনাব সাজ্জাদ হোসেন রিজু এবং জনাব আব্দুস সালাম।

আশা করা হচ্ছে উক্ত কর্মশালা থেকে রেডিও শ্রোতা সংঘের সদস্যবৃন্দ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পরিবর্তনগুলো ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে ধারনা লাভ করবেন এবং  রেডিও স্টেশনের সাথে রেডিও শ্রোতা সংঘের কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপিত হবে ।পাশাপাশি শ্রোতা সংঘের সদস্যদের প্রযুক্তি নির্ভর জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং রেডিও শ্রোতা সংঘের মাধ্যমে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়িত হবে।
অর্থনীতি ডেস্ক :
 
আয়কর বিবরণীর ভুল তথ্য উদঘাটনে প্রযুক্তির সাহায্য নেবে এনবিআর
 
আয়কর বিবরণীর ভুল তথ্য উদঘাটনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবার প্রযুক্তির সাহায্য নেবে। এ লক্ষে করাঞ্চল-১০ ‘রিটার্ন প্রসেসিং টুলস’ নামে একটি টুলস উদ্ভাবন করেছে। কোন করদাতা যদি তার আয়কর বিবরণীতে ভুল তথ্য প্রদান অথবা আয়কর হিসাবে গরমিল দেখান,তাহলে এর সাহায্য সহজে সেটা যাচাই করা সম্ভব হবে।

ইতোমধ্যে করাঞ্চল-১০ এই টুলস ব্যবহার করে ৬০ হাজার আয়কর বিবরণী যাচাই করেছে, যেখানে বিপুল সংখ্যক বিবরণীতে ভুল তথ্য ও কর হিসাবের গরমিল উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। এখন অন্যান্য করাঞ্চলেও এই টুলস ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর।

এ বিষয়ে এনবিআরের প্রধান উদ্ভাবনী কর্মকর্তা ও সংস্থাটির সদস্য কানন কুমার রায় রোববার বাসসকে বলেন,‘কোন কোন করদাতা আয়কর বিবরণীতে জেনে-বুঝে তথ্য ভুল দেন। আবার কোন করদাতা যেসব খাতে কর প্রযোজ্য হবে তা ভুলবশত রেয়াত হিসাবে দেখায় কিংবা কর হিসাবে গরমিল করেন। করদাতা আয়করকে রেয়াত হিসাবে দেখালে কিংবা কর হিসাবে গরমিল করলে ‘রিটার্ন প্রসেসিং টুলস’ সেটা যাচাই করবে।’

তিনি বলেন,যেহেতু প্রযুক্তির সাহায্য সহজেই করদাতার দাখিল করা বিবরণী যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া ম্যানুয়ালি সব আয়কর বিবরণী যাচাই করা সম্ভব নয়। তাই করাঞ্চল-১০ ছাড়াও অন্যান্য করাঞ্চলে এই টুলস ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিগগিরই সব করাঞ্চলকে এই টুলস ব্যবহার করার নির্দেশনা দেয়া হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য,গত ৪ আগস্ট এনবিআরে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক উদ্ভাবন পরিকল্পনার প্রথম সভায় এ টুলস প্রতিটি করাঞ্চলে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।

কানন কুমার বলেন,গত করবর্ষে কর অঞ্চল-১০ প্রায় ৬০ হাজার করদাতার আয়কর বিবরণীর তথ্য যাচাই করা করে। এতে বিপুল পরিমাণ করফাঁকির তথ্য উদ্ঘাটন ও কর আদায় হয়েছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন,একটি কর বিবরণী যাচাই করে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার কর কম দেখানো হয়েছে,যা টুলসে ধরা পড়েছে। সেই ব্যক্তি আয় আর সম্পদ দেখালেও ইচ্ছেকৃতভাবে কর দেখাননি। পরে চিঠি দেওয়ার পর তিনি কর পরিশোধ করেন।

তিনি বলেন,যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দেখা গেছে অনেক করদাতা যেসব খাতে কর অব্যাহতি নেই সেসব খাতে অব্যাহতি দেখাচ্ছেন।আবার অনেকে জেনে-বুঝে করযোগ্য আয় ও সম্পদ দেখালেও কর দেয়নি। অনেকেই ভুলবশত করযোগ্য আয়কে অব্যাহতি দেখিয়েছেন-এমন অসংখ্য কর বিবরণী পাওয়া যায়।

তিনি জানান,এই টুলসের মাধ্যমে কর বিবরণীতে দেওয়া করদাতার আয়,ব্যয়,সম্পদের তথ্য দেওয়ার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিভাবে কর হিসাব হয়ে যাবে। কর হিসাবে কোন ভুল তথ্য থাকলে সাথে সাথে তা ধরিয়ে দেবে।

উল্লেখ্য,একজন করদাতা জীবন বিমার প্রিমিয়াম,সরকারি কর্মকর্তার প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা,স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিলে নিয়োগকর্তা ও করদাতার চাঁদা, কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বীমা তহবিলে চাঁদা,সুপার এনুয়েশন ফান্ডে প্রদত্ত চাঁদা,যে কোনো তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট পেনশন স্কিমে বার্ষিক সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা বিনিয়োগ,সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বিনিয়োগ,বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ,বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করলে কর রেয়াত পেয়ে থাকেন। কিন্তু অনেক করদাতা কর বিবরণীতে যে পরিমাণ কর রেয়াত পাবেন তার চেয়ে অতিরিক্ত দেখিয়ে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সূত্র : (বাসস)
বিশেষ প্রতিবেদক :
 
টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত
 
“বহু ভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা কালেক্টরেট চত্তর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদনি করে। শোভাযাত্রা শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সেলিম আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 
 
পাকিস্তানে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে চীন
পাকিস্তানের অর্থনীতির অবস্থা এখন বেশ নাজুক। ঠিক এমন সময়ে দেশটির পাশে এসে দাঁড়ালো দীর্ঘদিনের বন্ধু রাষ্ট্র চীন। বেইজিং ঘোষণা দিয়েছে, ইসলামাবাদে ইমরানের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে শি জিন পিংয়ের চীন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও জিং এমন ঘোষণা দিয়েছেন। ইসলামাবাদে দেশটির উইমেনস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সঙ্গে আলোচনার সময় এ কথা জানান তিনি।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলছেন, চীন পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডোর (সিপিইসি) উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান অগ্রগতি বেশ সন্তোষজনক। চীন-পাকিস্তান ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের (সিপিএফটিএ) দ্বিতীয় ধাপের কাজও আগামী অক্টোবরে শেষ হবে। যার মাধ্যমে শুল্ক ছাড়াই পাকিস্তান তাদের ৯০ শতাংশ পণ্য রফতানি করবে।

ইসলামাবাদে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও জিং বলেছেন, ‘এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পাকিস্তানের রফতানি বাজারের সুবিধা ৫০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পাবে। যার মাধ্যমে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অসমতা আরও কমে আসবে।’

ইসলামাবাদে নিযুক্ত চীনের ওই প্রতিনিধি বলেন, ‘পাকিস্তানের নারী উদ্যোক্তারা চীনের বিভিন্ন বাণিজ্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে যাতে করে ব্যবসায়িক নানান সুবিধার খোঁজ করতে পারেন তার ব্যবস্থা করবে বেইজিং।’

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

bollywood-beauties-fairness-mysterious-secrets


টিভি পর্দায় তাদের উপস্থিতি মানেই বাড়তি মনযোগ, বাড়তি আকর্ষণ। তাদের রূপের দিকে তাকিয়ে চোখের পলক পড়ে না কারও কারও। শত ব্যস্ততা আর কাজের পরেও তাদের রূপ যেন ঝলমল করতে থাকে। তাদের ত্বক, ফিটনেস সবই চোখে পড়ার মতো। আর একইভাবে তা ধরে রাখেন বরাবর। এজন্যই যেন সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে বলিউড সুন্দরীদের রূপের রহস্য। জেনে নিন আপনিও-

Bollywood
সোনম কাপুর: বাবার পরিচয় ছাপিয়ে পরিচিত হয়ে উঠেছেন নিজের নামেই। তার রূপের জাদুতে মাতোয়ারা সারা বিশ্ব। নিখুঁত ব্যক্তিত্বর আর ঝলমলে হাসি সব সময়ই যেন প্রাণবন্ত করে রাখে তাকে। তিনি সোনম কাপুর। ত্বকের চেয়েও বেশি যত্নশীল ফিটনেসে। পরিশ্রম না করলে যে নিখুঁত ত্বক পাওয়া যায় না, তা পুরোপুরি বিশ্বাস করেন এই নায়িকা। তবে কোনো ঘরোয়া টোটকার চেয়েও তিনি নির্ভর করেন ভালো ডায়েটের উপর। সকালের ঘুম থেকে উঠে সোনম প্রথমেই গরম পানিতে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে খান। এতে শরীরের অনেক টক্সিন বেরিয়ে যায়। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে। তাছাড়া ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন মেনে চলেন এই বলিউড নায়িকা।

Bollywood

দীপিকা পাড়ুকোন: এই মুহূর্তে বলিউডের দামী নায়িকাদের একজন দীপিকা পাড়ুকোন। শত ব্যস্ততার পরেও নিজের ত্বকের যত্ন নিতে একদমই ভুল করেন না তিনি। এই কারণে তার গমরঙা গায়ের রং অনেকের কাছেই ঈর্ষণীয়। তবে ত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন তিনি। নিয়মিত দশ থেকে ১২ গ্লাস পানি খান এই নায়িকা, যাতে শরীর থেকে সব টক্সিন ধুয়ে যায়। এছাড়া পুষ্টিকর খাবার খান, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন শরীরে যায়। ত্বক যাতে শুষ্ক না হয়ে যায়, সে জন্য সব সময় ফেশিয়াল মিস্ট ক্যারি করেন দীপিকা।

Bollywood

ঐশ্বরিয়া রাই: তার রূপের স্বীকৃতি মিলেছিল আরও অনেক আগে, সেই ১৯৯৪ সালে। জিতেছিলেন বিশ্বসুন্দরীর খেতাব। তার সৌন্দর্যের রহস্য জানতে উন্মুখ অনেকেই। নিয়মিত ডায়েট এবং এক্সারসাইজের মধ্যে থাকেন জনপ্রিয় এই বলিউড অভিনেত্রী। মুখের পোড়াভাব কিংবা কোনো রকম দাগছোপ দূর করার জন্য তিনি ভরসা করেন ঘরোয়া টোটকার উপর। বেসন, হলুদ এবং দুধ মিশিয়ে একটা প্যাক বানিয়ে সপ্তাহে তিনদিন লাগান তিনি। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে শসার নির্যাস দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন।

Bollywood

আলিয়া ভাট: বলিউডের সবচেয়ে আদুরে চেহারার নায়িকা তিনি। বয়স খুব বেশি না হলেও অভিনেত্রী হিসেবে এর মধ্যেই জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকের হৃদয়ে। যেমন সুন্দরী তেমনই ফিটনেস সচেতন। তবে আলিয়া তেমন একটা রূপচর্চা করতে পছন্দ করেন না। সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য ডায়েট, এক্সারসাইজ এবং যোগ ব্যায়ামের উপরেই ভরসা রাখেন তিনি। তবে প্রতিদিন নিয়ম করে তুলসীপাতা বাটা এবং নিমপাতা বাটা কোনো ফেসপ্যাকের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। এতে তার ত্বক সহজেই ডিটক্সিফাই হয়ে যায়। শুকিয়ে গেলে গোলাপজল দিয়ে ধুয়ে নেন তিনি। ব্যস, আলিয়ার রূপের রহস্য এটুকুনই।

Bollywood

কৃতি শ্যানন: কদিনেই যেন বলিউড মাত করে ফেলেছেন মিষ্টি হাসির এই নায়িকা। রূপে গুণে যার দারুণ সুনাম রয়েছে। নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখতে একদম অবহেলা করেন না কৃতী। বাড়ির হালকা খাবার খেতে ভালোবাসেন তিনি। নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন। ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন মেনে চলেন। বাড়ি ফিরতে যতই দেরি হোক না কেন, শোয়ার আগে মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নেন। আর তাইতো এমন ঝলমলে রূপ তার।



টাঙ্গাইলদর্পণ নিউজ ডেস্ক :
 
জলবায়ু বাজেট বাস্তবায়নে মনিটরিং কমিটি গঠনের দাবি

জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে মনিটরিং টাস্কফোর্স-কমিটি গঠন জরুরি বলে মত দিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।

রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের ডেইলি স্টার সেন্টারে রোববার ‘বাংলাদেশ জলবায়ু বাজেট ২০১৯-২০ অর্থবছর : সুশীল সমাজ সংস্থার বিশ্লেষণ ও প্রতিফলন’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা। একশনএইড বাংলাদেশ এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের যৌথ উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

বক্তারা বলেন, পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জলবায়ু বাজেট বাস্তবায়নের যথার্থতা নিশ্চিতে জলবায়ু ও দুর্যোগ বিষয়ক গবেষণা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। বাংলাদেশে প্রযুক্তিগত দক্ষতা এখনও অনেক কম। অপরদিকে বরাদ্দ বৃদ্ধি পেলেও জলবায়ু সম্পর্কিত সরাসরি বরাদ্দ অত্যন্ত কম। গবেষণাখাতে বরাদ্দ বাজেটও পর্যাপ্ত নয়। ফলে দেখা দিচ্ছে দক্ষতা ও জ্ঞানের অভাব। তাই বাজেট বৃদ্ধি এবং একই সঙ্গে বরাদ্দ দেয়া বাজেটের যথাযথ ব্যবহার পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের পরিচালক ড. সলিমুল হক বলেন, ‘জলবায়ু বাজেট প্রতি বছর বৃদ্ধি পেলেও এর প্রভাব পরিমাপ করা জরুরি। বরাদ্দ বাজেটের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে বাজেট পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সম্মিলিত উদ্যোগে একটি কমিটি গঠন করা যেতে পারে; যার পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আরও কার্যকরী জলবায়ু বাজেট পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।’

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জলবায়ু বাজেট ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সে জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিপদাপন্নতার দু’টি দিক রয়েছে- একটি হলো ভৌগলিক এবং আরেকটি হলো সামাজিক ও অর্থনৈতিক। অভিযোজনকে এ উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একশনএইড বাংলাদেশের রেজিলিয়েন্স ও ক্লাইমেট জাস্টিস ইউনিটের প্রধান তানজীর হোসেন এবং প্রোগ্রাম কর্মকর্তা লামিয়া হোসেন। এ ছাড়া আরও উপস্থিতি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এম. খালিদ মাহমুদ, একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির প্রমুখ।