অর্থনীতি ডেস্ক :



ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করায় আমাদের দেশে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারত তাদের অভ্যন্তরীণ কারণে আমাদের দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে আমাদের দেশে পেঁয়াজের কোনো ধরনের সংকট হবে না। আমাদের দেশে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। এখন মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকেও আমদানি করা হচ্ছে।’

কোনো ব্যবসায়ী বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বাণিজ্য সচিব।

গতকাল রোববার বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারত। এর পরই বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। ৮০ টাকার পেঁয়াজ এক লাফে ১১০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে।

এর আগে ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য দ্বিগুণ করে। এতে ৩০ টাকার পেঁয়াজ ২৪ ঘণ্টার  ব্যবধানে ৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। ওইদিন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন ব্যবসায়ী ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে করণীয় নির্ধারণ করেন।

বাণিজ্য সচিব ওই দিন বলেছিলেন, ‘পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বাণিজ্য সচিবের এ ঘোষণার পর দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও উল্টো দাম আরো বেড়েছে।

পেঁয়াজের মজুদের বিবরণ দিয়ে আজ সংবাদ সম্মেলনে জাফর উদ্দীন বলেন, চাহিদার তুলনায় দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলেও আমরা বিকল্প পথ হিসেবে তুরস্ক ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছি। তুরস্কের পেঁয়াজ এখন পথে রয়েছে। মিয়ানমার থেকেও পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে।

বাণিজ্য সচিব আরো বলেন, আমাদের ১০টি টিম এখন বাজার মনিটরিংয়ে রয়েছে। দেশের যেসব অঞ্চলে পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে, সেগুলো এখন বাজারে ছাড়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর পরও কেউ বাজারে অস্থিরতা তৈরি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: