জুয়েল রানা, সখীপুর প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখীপুরে জ্বিন তাড়ানোর কথা বলে পঞ্চম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রুহুল  আমীন (৩০) নামের এক মুয়াজ্জিনের নামে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা সোমবার বিকেলে সখীপুর থানায় মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার পরপরই উপজেলার কুতুবপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ওই মুয়াজ্জিন এলাকা ছেড়েছেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা সদরে।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই মুয়াজ্জিন উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে মেয়েটির বাড়িতে আসে। ওই স্কুলছাত্রীকে জ্বিনে ধরেছে বলে ঝাড়ফুঁক করার পরামর্শ দেয়। পরে একটি ঘরে নিয়ে ঝাড়ফুঁকের এক পর্যায়ে মেয়েটির চোখমুখে সরিষার তেল মেখে দিয়ে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় ও ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় মেয়েটির চিৎকারে বাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে মুয়াজ্জিন রুহুলকে গণপিটুনি দিয়ে বেঁধে রাখে। এলাকাবাসীরা জানান, স্থানীয় মাতাব্বর ও মসজিদ কমিটির লোকজনের সহযোগিতায় মুয়াজ্জিন পালিয়ে গেছে। এ নিয়ে আপোষ-মীমাংসার লক্ষ্যে কয়েক দফায় বৈঠকেও বসেন মাতাব্বরেরা।
মেয়েটির মা  জানান, ‘তার স্বামী প্রবাসে থাকায় ঘটনাটি নিয়ে তিনি দারুণভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এলাকার মাতাব্বররা নানা ধরণের প্যাঁচে ফেলে ছিলেন। মেয়েটিও ভয়ে মাঝেমধ্যে কান্নাকাটি করছে। স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে।’
সখীপুর থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত মুয়াজ্জিন রুহুল আমীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: