মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান, টাঙ্গাইর দর্পন.কম:
 
বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের ২০১৯-২০২১ মেয়াদের নির্বাচন

।আজ শনিবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিজিএমইএ ভবনে সকাল হতে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালনা পর্ষদের নেতা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের চলছে। বিজিএমইএ এর বর্তমান ভবনে এটি একটি ঐতিহাসিক বা সর্বশেষ নির্বাচন বলা যায়। নির্বাচন কমিশন বলছে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের ২০১৯-২০২১ মেয়াদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ঢাকা অঞ্চলের ২৬ জন পরিচালক পদে হচ্ছে ভোট। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী  তরুণ ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চ ডিগ্রী নিয়ে আসা অনন্ত গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শরীফ জহীর ভোট দিয়ে আনন্দ চিত্তে বেরিয়ে এসে তার কর্মী সমর্থকদের জানালেন খুব উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ভেতরে ভোট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরো জানালেন প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে যদি তার প্যানেল ও তিনি জয়ী হোন, তাহলে তৈরী পোশাক শিল্পকে নিয়ে অনেক যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিবেন, যা আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পকে নিয়ে যাবে আরো বহুদূর।



এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ও মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির বলেন, ভোট আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আশা করি, ভোটগ্রহণ শেষে কম সময়ের মধ্যেই আমরা ফলাফল দিতে পারবো। ভোট চলবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। সম্মিলিত ফোরাম ও স্বাধীনতা পরিষদ নামে দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সংগঠনটিতে পরিচালকদের মোট পদ ৩৫টি। এর মধ্যে ঢাকায় ২৬টি ও নয়টি চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচনে ভোট হচ্ছে না। কারণ বন্দর নগরী থেকে সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদে যে নয় পরিচালকের পদ রয়েছে, সেখানেও প্রার্থী নয়জন। ফলে তারা সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকার ২৬ পরিচালক পদে দুই প্যানেলের ৪৪ প্রার্থী লড়ছেন। ২৬ পদে পূর্ণ প্যানেল দিয়েছে সম্মিলিত ফোরাম। এসব পদে স্বাধীনতা পরিষদের প্রার্থী ১৮জন। সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোনো রকম বিরতি ছাড়াই ভোটগ্রহণ চলবে। মোট ভোটার এক হাজার ৯৫৬ জন। এর মধ্যে ঢাকার ১, ৫৯৭ এবং ৩৫৯ জন চট্টগ্রামের। চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্বাধীনতা পরিষদ কোনো প্রার্থী দেয়নি।

পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচিত ৩৫ পরিচালক পরবর্তীতে একজন সভাপতি এবং সাতজন সহসভাপতি নির্বাচন করবেন। সম্মিলিত ফোরামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী এবং মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক। এই প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন- শরীফ জহির, এসএম মান্নান কচি, মোহাম্মদ নাছির, ফয়সাল সামাদ, আসিফ ইব্রাহিম, আরশাদ জামাল দিপু, এমএ রহিম, কেএম রফিকুল ইসলাম, মো. শহীদুল হক মুকুল, মশিউল আজম সজল, ইনামুল হক খান বাবলু, মাসুদ কাদের মনা, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, নাছির উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা, রেজওয়ান সেলিম, মুনির হোসেন, একেএম বদিউল আলম, মিরান আলী, মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, মোশারফ হোসেন ঢালী, শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, মহিউদ্দিন রুবেল, ও নজরুল ইসলাম।

আর ডেনিম প্রসেসিং প্ল্যান্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাধীনতা পরিষদের।

এই প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, হুমায়ুন রশিদ, রফিক হাসান, সাইফুল ইসলাম, শওকত হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার ফরিদুল আকবর, জাহাঙ্গীর কবির, জাহিদ হাসান, শরিফুল আলম চৌধুরী, কাজী আবদুস সোবহান, জহিরুল ইসলাম, কাজী মাহয্যাবিন মমতাজ, মাহমুদ হোসাইন, আয়েশা আক্তার, ওয়ালী উল্লাহ ও ওমর নাজিম হেকমত। এই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে দেশের বৃহৎ এই ব্যাবসায়ী সমিতির মধ্যে বা ব্যাবসার মধ্যে প্রাণ ফিরে আসবে। এদিকে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশে বিজিএমইএ ভবনটি উত্তরাতে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে তাই বলা যায় নব নির্বাচিত  পোশাক প্রস্তুুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালনা পর্ষদের নেতাগণ তাদের পরবর্তী সভা বিজিএমইএ এর নতুন ভবনে করবেন তাই বলা যায় সব দিক দিয়ে এই নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন অর্থাৎ বর্তমান বিজিএমইএ ভবনে সর্বশেষ এই নির্বাচন কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে। বিজিএমইএ ভবনে ঐতিহাসিক বা সর্বশেষ নির্বাচন!







Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: