টাঙ্গাইলদর্পণ নিউজ ডেস্ক : ডিজিটালাইজেশন ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মূল হাতিয়ার হচ্ছে ইভিএম পদ্ধতি। বর্তমানে ব্রাজিল এবং ভারতে সকল ধরনের নির্বাচনে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ভেনেজুয়েলা এবং যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকভাবে ডিআরই ভোটিং পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভোট প্রয়োগ ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যুক্তরাজ্য, এস্তোনিয়া এবং সুইজারল্যান্ডে সরকারী নির্বাচনসহ রাজনৈতিক বিষয় সম্পর্কে জনমত গ্রহণের মাধ্যম গণভোটে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াও, কানাডার পৌর নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের দলীয়ভাবে প্রাথমিক নির্বাচনের জন্য ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়।
উপরিউক্ত দেশগুলোতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের ফলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করে পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানী, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, পেরু, রোমানিয়া, সুইজারল্যান্ড এবং ফিলিপাইনেও একই পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করেছে।
উন্নত দেশে ডিজিটালাইজেশনের ছোঁয়ায় মাতোয়ারা হলে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকা মোটেও সমীচীন হবে না বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব আসাদুজ্জামান। বাংলা নিউজ পোস্টকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন ভোটারের সংখ্যা ১০ কোটি ৪০ লাখ। চলমান পদ্ধতিকে এত সংখ্যক ভোটারের এক দিনে ভোট গ্রহণ ও গণনা করে ফলাফল ঘোষণা কষ্টসাধ্য। পুরো এ পদ্ধতির ফলাফল নিয়ে অতীতে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তাই বর্তমান ডিজিটালাইজেশনের যুগে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ এবং গণনাও সময়ের দাবি।
সেই লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন ইলেকট্রনিক্স ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতির প্রসার ঘটাতে কাজ করছে। প্রথমে স্বল্প সংখ্যক কেন্দ্র দিয়ে সচেতনতার সৃষ্টির মাধ্যমে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। ধীরে ধীরে সামনের নির্বাচনগুলোতে দ্রুত, স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত ভোট গ্রহণের মূল হাতিয়ার হবে ইভিএম। এ পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ শেষ হবার ৫ মিনিটের মধ্যে নির্ভুল ফলাফল ঘোষণা সম্ভব।

তথ্যসূত্র : http://banglanewspost.com
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: