টাঙ্গাইলদর্পণ নিউজ ডেস্ক : শেরপুর জেলা ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার অসংখ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
দেশব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শেরপুর জেলায় নতুন রাস্তাঘাট-ব্রিজ নির্মাণ, সংস্কার করা হয়েছে।
৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে শেরপুর জেলা শহরের আখেরবাজার থেকে লঙ্গরপাড়া-মামদাবাড়ী-শ্রীবরদী সড়কের উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সাড়ে ১৪ কিলোমিটার রাস্তা মজবুতকরণ, ব্রিজ নির্মাণ ও প্রশস্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জেলার শ্রীবরদী উপজেলার খরিয়াকাজীরচর ইউনিয়নসহ আরও কয়েকটি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিন দাবি পূরণ হয়েছে।
২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নকলা বাইপাস সড়ক ও সীমান্ত সড়কের ১০ম কি:মি:তে চেল্লাখালী নদীর উপর ১৬৫.০০ মিটার সেতু নির্মাণ কাজ শেষের পথে রয়েছে। ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নকলা-নালিতাবাড়ী-নাকুগাঁও স্থল বন্দর সড়কের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও কানাসাখোলা-অষ্টমীতলা বাইপাস সড়ক, নকলা-শিববাড়ী সড়কের পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, শ্রীবরদী-ভায়াডাঙ্গা-ঝিনাইগাতী সড়কে সোমশ্বরী সেতু নির্মাণ ও সড়ক উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে নালিতাবাড়ী ফায়ার স্টেশন।
শেরপুরের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৫টি এবং নকলা উপজেলায় ২টি ৫০০ মে:টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন খাদ্য গুদাম নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।
কর্মজীবি নারীদের আবাসন নিশ্চিত করতে জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় শেরপুর কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল নির্মাণ করা হয়েছে।
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের যেসব উপজেলায় সরকারি স্কুল-কলেজ নেই সেই উপজেলাগুলোতে একটি করে স্কুল এবং একটি করে কলেজ সরকারীকরণ করেছে। এর আওতায় শেরপুরের তিনটি কলেজ সরকারি করা হয়েছে। নকলা উপজেলায় শেরপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্মাণ করা হয়েছে।
জেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলার হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে শেরপুর অচিরেই একটি উন্নত জেলায় পরিণত হবে বলে মানুষের বিশ্বাস।

তথ্যসূত্র : Positive Bangladesh
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: