সন্ত্রাসদমনে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্সে অনুপ্রাণিত ভারত

বিশেষ প্রতিবেদক :

সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতা নীতি ভারতের কাছে অনুপ্রেরণা, বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার (৮ এপ্রিল) নয়াদিল্লি সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে মোদি বলেন, দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন, উপ-আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রকল্প ও বৃহত্তর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে যোগাযোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যোগাযোগ বাড়াতে পশ্চিশবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন কিছু লিংক যোগ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চালু হয়েছে খুলনা-কলকাতা মৈত্রী ট্রেন।

বিবিআইএন নিয়ে তিনি বলেন, পণ্য পরিবহনে দ্বিমুখী ট্রানস-শিপমেন্টের উন্নতি নিয়ে আমি খুশি। এ নিয়ে আমাদের কথা এগিয়েছে। আমরা খুব শিগগিরই বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ইন্ডিয়া-নেপাল) মোটর ভেহিকল চুক্তির বাস্তবায়ন করতে চাই। উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি নতুন দিক উন্মোচন করবে।

বাণিজ্যখাত নিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আমি আমাদের যৌথ বাণিজ্যিক খাতগুলো চিহ্নিত করে কথা বলেছি। এই বাণিজ্যিক উন্নয়ন কেবল ভারত-বাংলাদেশকেই নয়, গোটা অঞ্চলকেই লাভবান করবে।

‘প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের কাছে পেয়ে আমরা খুশি।’

তিস্তা চুক্তি নিয়ে মোদি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য তিস্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আশা করি শিগগিরই এ ইস্যুর সমাধান হবে। আমার সরকার ও শেখ হাসিনার সরকার তিস্তার পানি বণ্টন করতে চায় এবং আমরা তা করবো।

মোদি  আরও বলেন, শেখ মুজিব ভারতের প্রকৃত বন্ধু। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত জীবনী হিন্দিতে অনুবাদ হওয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ২০২১ সালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় প্রামাণ্য চিত্র তৈরি হবে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন সোনালি অধ্যায় অতিক্রম করছে।
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: