স্টাফ রিপোর্টার : দেলদুয়ারে ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছোট বড় অন্তত ১০ কার্টুন সরকারি ওষুধ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। শনিবার দুপুর পৌনে ২টায় হাসপাতালের মূল ভবনের পেছনের জঙ্গলে কার্টুন ভর্তি ওষুধগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়। এসময় সংবাদ কর্মীরা ছবি তুলতে গেলে ষ্টোরকিপার মোজাম্মেল হোসেন ও এমএলএসএস সোমেজ উদ্দিন বাধা প্রদান করেন। দূর থেকে কার্টুনের স্তুপে অগ্নি সংযোগের সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দ হতে থাকে ও চারদিকে ওষুধ পুড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাব্যাপি ওই স্তুপে আগুন জ্বলে এবং থেমে থেমে বিকট শব্দে ওষুধের বোতলগুলো ফুটতে থাকে।

জানা গেছে, মাঝে মধ্যেই এভাবে ওষুধের কার্টুন পুড়িয়ে ফেলা হয়। শনিবার হাসপাতালে লোক সমাগম কম। এ সুযোগে ওষুধ পোড়ানো হতে পারে এমন সংবাদে স্থানীয় সাংবাদিকরা ওঁৎ পেতে থাকে। দুপুর পৌনে ২টার সময় ভবনের পেছনের গেট খুলে ওষুধের কার্টুন ষ্টোরকিপার মোজাম্মেলের নেতেৃত্বে ৪ জন কর্মচারী জঙ্গলে জমা করতে থাকে। পরে এমএলএসএস সোমেজ ওই স্তুপে অগ্নি সংযোগ করেন। এসময় ছবি ও ভিডিও ফুটেজ নিতে গেলে তারা সাংবাদিকদের বাধা দিয়ে বলেন ওদিকে যাওয়া যাবেনা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ষ্টোরকিপার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, পুরনো কিছু ওষুধের কার্টুন ও বক্স পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। থেমে থেমে বিকট শব্দের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নিরব থাকেন। একপর্যায়ে তিনি সহকর্মীর মোটসাইকেলে তাড়াতাড়ি হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা.তারেক মো.সফি বলেন, আমি ছুটিতে আছি। হাসপাতালে কি হয়েছে তা আমার জানা নেই। তবে ষ্টোরকিপার আমাকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন কিছু ওষুধের কার্টুন পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে তার মধ্যে দু’একটা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ থাকতে পারে। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালের ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া পুড়িয়ে ফেলার কোনো নিয়ম নেই।

তবে ওষুধের কার্টুনে ওষুধ ছিল না অন্য কিছু ছিল আর কেনই বা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অনুপস্থিতে তা জঙ্গলে পুড়িয়ে ফেলা হলো এসব ঘটনার সুষ্ট তদন্ত চেয়েছেন এলাকাবাসী।
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: