রাজনীতি ডেক্স : দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দুটি রিট আবেদনের ওপর ৫ আগস্ট রায় দেবেন আদালত। রোববার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটি কার্যতালিকায় এনে এই দিন নির্ধারণ করেন।

গত সপ্তাহে এ মামলার শুনানি শেষে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে মর্মে অপেক্ষমাণ (সিএনভি) রাখা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে মামলার শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার আহসানুর রহমান। দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান শুনানিতে অংশ নেন।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল। আজ কার্যতালিকায় এনে ৫ আগস্ট রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যে আইনে মামলাটি করেছে, তা ছিল অবৈধ।”

খালেদা জিয়া ও তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনকে আসামি করে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর মতিঝিল থানায় এ মামলাটি করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর ও কমলাপুরের কনটেইনার টার্মিনালে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য মেসার্স গ্লোবাল অ্যাগ্রো ট্রেড কোম্পানি লিমিটেডকে (গ্যাটকো) ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রের কমপক্ষে এক হাজার কোটি টাকা ক্ষতি করা হয়।

মামলাটির অনুমোদনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে খালেদা জিয়া রিট আবেদন করলে ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই হাইকোর্ট মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেন। এ ছাড়া মামলা জরুরি ক্ষমতা বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৭ সালে আলাদা একটি রিট আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট এ বিষয়েও রুল জারি করেন।
Share To:

Tangail Darpan

Post A Comment: