ফারুক হত্যাকাণ্ডের তিন বছর! মূল আসামী চিহ্নিত হলেও গ্রেফতার হয়নি - Tangail Darpan | Online Bangla Newspaper 24/7 | টাঙ্গাইল দর্পণ-অনলাইন বাংলা নিউজ পোর্টাল ২৪/৭ ফারুক হত্যাকাণ্ডের তিন বছর! মূল আসামী চিহ্নিত হলেও গ্রেফতার হয়নি - Tangail Darpan | Online Bangla Newspaper 24/7 | টাঙ্গাইল দর্পণ-অনলাইন বাংলা নিউজ পোর্টাল ২৪/৭

728x90 AdSpace

  • Latest News

    Monday, January 18, 2016

    ফারুক হত্যাকাণ্ডের তিন বছর! মূল আসামী চিহ্নিত হলেও গ্রেফতার হয়নি

    বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী  :   টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যার তিন বছর আজ ১৮ জানুয়ারি সোমবার পূর্ণ হবে হলো। এতোদিনেও হত্যার মূল আসামীরা গ্রেফতার হয়নি। দীর্ঘ তদন্তে হত্যারহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে হত্যার নেপথ্যের নায়কদের নাম- পরিচয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান অভিযুক্তরা প্রভাবশালী। মামলার তদন্তের এক পর্যায় তাদের পরিচয় প্রকাশ হওয়ায় পরই তারা আত্মগোপনে যান।

    পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১১ আগস্ট শহরের বেবীস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় আনিসুল ইসলাম রাজাকে। একই অভিযোগে মোহাম্মদ আলী নামে আরো একজনকে গোয়েন্দা পুলিশ গত ২৪ আগস্ট গ্রেপ্তার করেছে । তারা দুজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাদের জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়, ফারুক হত্যাকান্ডে টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী খান পরিবারের চার ভাই সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা জড়িত রয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে আরো জানা যায়, আদালতে দেয়া জবানবিন্দতে রাজা জানিয়েছেন, ঘটনার দিন (২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি) সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা রাজাকে দায়িত্ব দেন ফারুক আহমেদকে আওয়ামী লীগ অফিস থেকে কলেজপাড়া তার একটি প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনার জন্য। আওয়ামী লীগ অফিসে যাওয়ার সময় পথেই রাজার সঙ্গে ফারুক আহমেদের দেখা হয়। রাজা তখন নিজের রিকশা ছেড়ে ফারুক আহমেদের রিকশায় উঠেন এবং তাকে ওই নেতার প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যান। পরবর্তী সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হওয়া নিয়ে ফারুক আহমেদের কথা হয়। এক পর্যায় ফারুক আহমেদকে ওই পদে প্রার্থী না হওয়ার অনুরোধ করেন। ফারুক আহমেদ এতে রাজি হন নি। এ বিষয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে ফারুক আহমেদ সেখান থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেছন থেকে তাকে গুলি করা হয়। পরে অন্যরা তার মুখ চেপে ধরেন। তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর প্রভাবশালী নেতার নির্দেশে সেখানে রক্ত মুছে ফেলা হয়। পরে একটি অটো রিকশায় ফারুক আহমেদের মরদেহ নিয়ে রাজাসহ দুজন দুপাশে বসেন এবং ফারুক আহমেদের বাসার কাছে ফেলে রেখে আসেন।

    ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ফারুক আহমেদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিনদিন পর ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে এর তদন্তভার দেয়া হয় টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।
    • Blogger Comments
    • Facebook Comments
    Item Reviewed: ফারুক হত্যাকাণ্ডের তিন বছর! মূল আসামী চিহ্নিত হলেও গ্রেফতার হয়নি Rating: 5 Reviewed By: Tangaildarpan News
    Scroll to Top