টাঙ্গাইলে কথিত কবিরাজ মাকে গলা টিপে খুন করলো মেয়ে - Tangail Darpan | Online Bangla Newspaper 24/7 | টাঙ্গাইল দর্পণ-অনলাইন বাংলা নিউজ পোর্টাল ২৪/৭ টাঙ্গাইলে কথিত কবিরাজ মাকে গলা টিপে খুন করলো মেয়ে - Tangail Darpan | Online Bangla Newspaper 24/7 | টাঙ্গাইল দর্পণ-অনলাইন বাংলা নিউজ পোর্টাল ২৪/৭
  • শিরোনাম

    শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৫

    টাঙ্গাইলে কথিত কবিরাজ মাকে গলা টিপে খুন করলো মেয়ে

    বিভাস কৃষ্ণ চৌধুরী : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যম বর্ণি এলাকায় মেয়ের কথিত জ্বিন-ভ‚তের চিকিৎসা করতে গিয়ে সেই মেয়ের হাতেই নির্মমভাবে খুন হয়েছেন কথিত কবিরাজ মা ফিরোজা বেগম (৫০)। শুক্রবার রাতে মেয়ে শামছুন্নাহার (৩৫) কে কথিত জ্বিন-ভূতের চিকিৎসা করতে গেলে এ নির্মমতার শিকার হোন মা ফিরোজা বেগম। পুলিশ ওই রাতেই মেয়ে আটক করেছে।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেলুয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী ফিরোজা বেগম দীর্ঘদিন ধরে কথিত জ্বিন-ভূতের চিকিৎসা করে আসছিল। বেশ কয়েকদিন আগে ফিরোজার বেগমের মেয়ে তিন সন্তানের জননী শামছুন্নাহার অসুস্থ্য হয়ে পাগলামী করতে থাকে। মেয়েকে জ্বিন-ভূতে ধরেছে মনে করে মা ফিরোজা বেগম তার চিকিৎসা করতে শুক্রবার উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যম বর্ণি গ্রামে মেয়ের বাড়িতে যায়। ওইদিন  রাতেই দু’জনে কাছাকাছি বসে নানা ধরনের মন্ত্র পড়তে থাকে মা ফিরোজা বেগম। কিছুক্ষণ পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মেয়ে শামছুন্নাহার। বেশ কিছু সময় মা-মেয়ে চুলাচুলি করতে থাকে। এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত লোকজন ভয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এসময় মেয়ে শামছুন্নাহার আরো ক্ষিপ্ত হয়ে মা ফিরোজা বেগমের মুখ, নাক, কান কামড়িয়ে ছিঁড়ে ফেলে । একপর্যায়ে শামছুন্নাহার কবিরাজ মায়ের গলা টিপে ধরে । কিছুক্ষণ পর সে মারা যায়। খবর পেয়ে গোপালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েকে আটক ও মায়ের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

    ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম বলেন, মেয়েকে আটক করা হয়েছে। আর মায়ের লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
    • Blogger Comments
    • Facebook Comments
    Item Reviewed: টাঙ্গাইলে কথিত কবিরাজ মাকে গলা টিপে খুন করলো মেয়ে Rating: 5 Reviewed By: Tangaildarpan News
    Scroll to Top