সোমবার ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২

Logo
Add Image
Pic

এম আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:

বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকা'র উদ্যোগে জিয়া উদ্যানে দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

 

সাধারণ একজন গৃহবধূ থেকে রাজনীতির জটিল মঞ্চে পা রেখে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার সংগ্রামী পথ চলা আর কর্মময় জীবনের ওপর দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকা।   

 

(৯ জানুয়ারি শুক্তবার ) বাদ জু'মা জিয়া উদ্যানে এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম খান। 

 

এ সময় বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার উপদেষ্টা ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন, সংগঠনটির সভাপতি মারুফা রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।


নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আন্দোলন-সংগ্রামী জীবন এতোই বিস্তৃত, এতোই বিশাল, এতোই বর্ণাঢ্য যে, একটা আলোকচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে তার জীবন সংগ্রাম কোনোভাবেই ধারণ করা সম্ভব নয়। বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটিকে অনুরোধ করবো বেগম জিয়ার রাষ্ট্র পরিচালনা, আন্দোলন সংগ্রাম ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উপর তারা যেন আলাদা আলাদা প্রদর্শনীর আয়োজন করে।


দেশ নেত্রীর জানাজায় এতো মানুষের সমাগম হয়েছে যেটা বিশ্বের প্রধান জানাজাগুলোর মধ্যে অন্যতম। মানুষটা সারাজীবন লড়াই করেছেন জনগণের জন্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুরক্ষার জন্য।তরুণ প্রজন্ম যারা বেগম জিয়ার নেতৃত্ব সামনে থেকে দেখে নাই, তারা বেগম জিয়ার সম্পর্কে জানতে চায়। এজন্য আমি বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটিকে অনুরোধ করবো তারা যেন এ বিষয়ে আরো কার্যক্রম পরিচালনা করে।

 

বগুড়া মিডিয়া এন্ড কালচারাল সোসাইটির উপদেষ্টা আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী না, বাংলাদেশের চার দশকের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেসব নারী নেতৃত্ব সাহস, দৃঢ়তা ও গণআস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন, তাদের অগ্রভাগে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ছিলেন আপসহীনতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তরুণরা বেগম জিয়া সম্পর্কে জানতে চায়। আমরা খুব শীগ্রই বিভিন্ন জায়গায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন সংগ্রাম নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করবো।

 

বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার সভাপতি মারুফা রহমান বলেন, আমরা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই আয়োজন করেছি। এখানে একেকটি ছবি তার রাজনৈতিক জীবনের একেক সময়কার দলিল। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে অনেক মানুষ এখানে আসছেন। বিশেষ করে তরুণরা আসছেন, তারের আগ্রহটা বেশি। তারা বেগম জিয়ার সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে পারবে জানতে পারবে।

 

সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ বলেন, 'তরুণরা বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে জানতে চায়। আমরা ধাপে ধাপে আরো বেশ কিছু আয়োজন করবো। খুব শীঘ্রই বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি-ঢাকার উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাষ্ট্র পরিচালনা, আন্দোলন সংগ্রাম ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উপর বিভিন্ন ডকুমেন্টারি ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে দেশনেত্রী বেগম জিয়ার পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্বের প্রায় ১০০টি স্থিরচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

 

এ সময় সংগঠনটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আদনান আজাদ, সহ-সভাপতি ফেরদৌস মামুন, জুলফিকার হোসাইন সোহাগ, আনোয়ার হোসেন জনি ও রাশেদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম আমিনুল ইসলাম ও গোলাম রাব্বী সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম জনি, অর্থ সম্পাদক ইসহাক আসিফ, দপ্তর সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবির, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রামিম হাসান, প্রচার সম্পাদক জাহিন তালুকদার, প্রকাশনা সম্পাদক টিনা খানম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, নাট্যবিষয়ক সম্পাদক বিভান বাদল, সমাজসেবা সম্পাদক আজাদ আহমেদ, পরিকল্পনা সম্পাদক রেজওয়ান উল আরেফিন, প্রচার সম্পাদক জাহিন তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক মির্জা সম্রাট রেজা, সদস্য অরণ্য পাশা, আলমগীর সরকার লিটনসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Pic

অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেট ছাড়া তারা নিজ উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যায় না। ফলে বাংলাদেশ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ জাতিসংঘের বর্তমান কার্যক্রমের অংশ নয়।

 

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি, ২০২৬) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মুখপাত্র স্তেফান ডুজারিক। তিনি বলেন, “জাতিসংঘ সাধারণত নিজ উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না। সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন থাকলেই কেবল এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”

 

দুজারিক আরও জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এখন জাতিসংঘের কাজের আওতায় নেই। তবে বাংলাদেশে জাতিসংঘের কান্ট্রি অফিস নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ নিয়মিতভাবেই এ ধরনের কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে।

 

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার বিষয়টি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে কীভাবে দেখা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে মুখপাত্র বলেন, “আমি সংবাদ বা রাজনৈতিক ঘটনার মূল্যায়ন করি না। খবর বিশ্লেষণ করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব।” তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেন তাদের রাজনৈতিক মতামত অবাধে প্রকাশ করতে পারে, সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে জাতিসংঘ সমর্থন করে যাবে।

 

এ সময় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে স্তেফান দুজারিক বলেন, “তার মৃত্যুতে জাতিসংঘ তার পরিবারের প্রতি এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, পর্যবেক্ষক না পাঠালেও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও অবাধ মতপ্রকাশের পক্ষে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
 

Pic

অনলাইন ডেস্ক:

আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি, ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত শুনানিতে তার দায়ের করা আপিল মঞ্জুর করা হয়। এ সময় নির্বাচন কমিশন তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

 

তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তাসনিম জারা।  পোস্টে তিনি লিখেছেন, আপিল মঞ্জুর হয়েছে। মনোনয়ন বৈধ। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা ৯ আসনে জনগণের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছি।

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।

 

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।

 

আপিলের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চল ভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কেউ ইসিতে আপিল করতে পারবেন।


আপিল নম্বর অনুযায়ী শুনানির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জানুয়ারি ১ থেকে ৭০, ১১ জানুয়ারি ৭১ থেকে ১৪০, ১২ জানুয়ারি ১৪১ থেকে ২১০, ১৩ জানুয়ারি ২১১ থেকে ২৮০, ১৪ জানুয়ারি ২৮১ থেকে ৩৫০, ১৫ জানুয়ারি ৩৫১ থেকে ৪২০, ১৬ জানুয়ারি ৪২১ থেকে ৪৯০, ১৭ জানুয়ারি ৪৯১ থেকে ৫৬০ এবং ১৮ জানুয়ারি ৫৬১ নম্বর থেকে অবশিষ্ট সব আপিলের শুনানি হবে।

 

শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল নির্বাচন ভবনের মনিটরে প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের ই-মেইলে রায়ের পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবনের অভ্যর্থনা ডেস্ক থেকেও রায়ের অনুলিপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০ থেকে ১২ জানুয়ারির শুনানির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে।
 

Pic

অনলাইন ডেস্ক:
নতুন বছরের শুরুতেই ভোক্তাদের জন্য আবারও বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজির দাম। জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বিইআরসি।  এই নতুন দাম রোববার (৪ জানুয়ারি, ২০২৬) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর।

 

বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়, আগের মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। জানুয়ারির জন্য সেটি বাড়িয়ে নতুন করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, জানুয়ারি মাসের জন্য মূল্য সমন্বয়ের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য ওঠানামার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।

ডিসেম্বর মাসে সর্বশেষ এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এক মাসের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ায় ভোক্তাদের ব্যয় আরও বাড়লো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এদিকে, জানুয়ারি মাসের জন্য অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামও রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর।

 

এলপিজির দাম বাড়ায় বাসাবাড়িতে রান্নার খরচ যেমন বাড়বে, তেমনি অটোগ্যাস ব্যবহারকারী যানবাহনের পরিচালন ব্যয়ও কিছুটা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
 

আলোচিত খবর

Pic

অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর কাওরানবাজারের তেজতুরী বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় শুক্রবার গভীর রাতে প্রধান শুটারসহ ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

মানিকগঞ্জ এবং গাজীপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল তিনজনকে আটক করেছে।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্ত শুটার জিনাত এবং সন্দেহভাজন পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তৃতীয় ব্যক্তি এই দুজনের সহযোগী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ ডিসেম্বর)  রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তেজতুরী বাজারের স্টার হোটেলের গলিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বির (৪৫) নিহত হন। এঘটনায় তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
 

Pic

অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা নেই জাতিসংঘের। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের ম্যান্ডেট ছাড়া তারা নিজ উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যায় না। ফলে বাংলাদেশ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ জাতিসংঘের বর্তমান কার্যক্রমের অংশ নয়।

 

আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি, ২০২৬) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মুখপাত্র স্তেফান ডুজারিক। তিনি বলেন, “জাতিসংঘ সাধারণত নিজ উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠায় না। সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন থাকলেই কেবল এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”

 

দুজারিক আরও জানান, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এখন জাতিসংঘের কাজের আওতায় নেই। তবে বাংলাদেশে জাতিসংঘের কান্ট্রি অফিস নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ নিয়মিতভাবেই এ ধরনের কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে।

 

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার বিষয়টি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে কীভাবে দেখা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে মুখপাত্র বলেন, “আমি সংবাদ বা রাজনৈতিক ঘটনার মূল্যায়ন করি না। খবর বিশ্লেষণ করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব।” তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যেন তাদের রাজনৈতিক মতামত অবাধে প্রকাশ করতে পারে, সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে জাতিসংঘ সমর্থন করে যাবে।

 

এ সময় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে স্তেফান দুজারিক বলেন, “তার মৃত্যুতে জাতিসংঘ তার পরিবারের প্রতি এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, পর্যবেক্ষক না পাঠালেও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও অবাধ মতপ্রকাশের পক্ষে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
 

Pic

তেহরান থেকে আশরাফুর রহমান:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে ইরানের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে। রেকর্ড পরিমাণ মুদ্রাস্ফীতি, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং আমদানিনির্ভর বাজারে ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এই বাস্তবতা থেকেই সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কয়েকটি শহরে অর্থনৈতিক দাবিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে খুব দ্রুতই সেই বিক্ষোভের ভেতরে ভিন্ন স্লোগান, ভিন্ন এজেন্ডা এবং ভিন্ন শক্তির উপস্থিতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

 

ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, শান্তিপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিবাদের আড়ালে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের সহযোগীরা অনুপ্রবেশ করে আন্দোলনকে সহিংসতা ও শাসনব্যবস্থা উৎখাতের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে। মোসাদের প্রকাশ্য বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হুমকি এবং ইসরায়েলের অবস্থান এই সন্দেহকে আরও জোরালো করেছে। ফলে ইরানের চলমান পরিস্থিতি এখন আর কেবল একটি অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট নয়; এটি ক্রমেই একটি বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক সংঘাতের অংশ হয়ে উঠছে। 
 

Pic

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে 'আক্রমণ' এর অভিযোগ এনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন, কারণ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ একাধিক স্থানে সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিস্ফোরণ ও নিম্ন উড়ন্ত বিমান দেখা গেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র মাদক পাচার রোধের নামে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলা সরকার জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কার্যকর করেছে এবং জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছে, ফলে দেশে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।


যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, এমন অভিযোগ করে একে ‘সরাসরি সামরিক আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারি এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ জানানো হয়। শনিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে বিবৃতিটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।


ভেনেজুয়েলার সরকারের দাবি, রাজধানী কারাকাসসহ মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যের একাধিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত সামরিক অভিযান হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানায় কারাকাস।


সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদের দখল নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই প্রচেষ্টা সফল হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মাদুরো প্রশাসন।


পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনেজুয়েলার ভেতরে একাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। সিবিএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সামরিক স্থাপনাও ছিল।


তবে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সব প্রশ্ন হোয়াইট হাউসের কাছে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিএস।


এই ঘটনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এখনো পর্যন্ত হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের নির্দিষ্ট তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
 

Add

Site Counter

Online

52

Total

38k

Pic

নিজস্ব প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় হত দরিদ্র ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

 

আজ ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ রোববার দুপুরে মধুপুর উপজেলার বিএডিসি আর্মি ক্যাম্প এলাকায় এসব কম্বল বিতরণ করেন।

 

সেনাবাহিনী প্রধানের দিকনির্দেশনায় ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহা. হোসাইন আল মোরশেদ, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি হত দরিদ্র ও অসহায় ২০০ পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর দপ্তর ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমাদ উদ্দিন আহমেদ, এসপিপি, পিএসসিসহ ঘাটাইল অঞ্চলের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।

 

জেনারেল অফিসার কমান্ডিং জানান, প্রতি বছরের মতো এ বছরও শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আগামী দিনেও এ ধরনের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


Pic

অনলাইন ডেস্ক:
পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে বিতর্ক প্রতিদিনই আরো তীব্র হচ্ছে। আইপিএল থেকে তারকা এই পেসারকে বাদ দেওয়ার পর, নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ভারতে সফর করবে না।

 

মুস্তাফিজ ইস্যুতে এশিয়ার ক্রিকেট প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিসিবির সাবেক সচিব সৈয়দ আশরাফুল হক। বিশেষ করে তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহকে।

 

এশিয়ার ক্রিকেট ব্যবস্থাকে কার্যত ‘হাইজ্যাক’ করে নিয়েছে রাজনীতি, দাবী সৈয়দ আশরাফুল হকের। তারমতে জগমোহন ডালমিয়া, আইএস বিন্দ্রা, মাধবরাও সিন্ধিয়া, এন কে পি সালভে বা এমনকি এন শ্রীনিবাসনের সময়ে থাকলে মুস্তাফিজুরকে ঘিরে এমন ঘটনা কখনোই ঘটত না।

 

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান—সব জায়গাতেই ক্রিকেট ব্যবস্থা রাজনীতিবিদদের হাতে জিম্মি হয়ে গেছে। ভাবুন তো, জগমোহন ডালমিয়া, আইএস বিন্দ্রা, মাধবরাও সিন্ধিয়া, এনকেপি সালভে কিংবা এমনকি এন শ্রীনিবাসনের সময়ে কি এমন কিছু হতো? কখনোই না।

 

কারণ তারা পরিণত মানুষ ছিলেন, ক্রিকেট বোঝতেন এবং একজন খেলোয়াড়ের ওপর এর প্রভাব কী হতে পারে, সেটাও জানতেন।’

 

সাবেক এই বিসিবি সচিব বাংলাদেশের বিশ্বকাপে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকেও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তার মতে, বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্ট বর্জন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

তিনি বলেন, ‘এখন সবকিছু পুরোপুরি হাইজ্যাক হয়ে গেছে।

 

যাদের হাতে ক্রিকেট, তারা কেউই কখনো ব্যাট ধরেননি। জয় শাহ কখনো প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেননি। অথচ আমাদের ক্রীড়া উপদেষ্টা বলছেন, বাংলাদেশ ভারতে যাবে না। এটা কি আইপিএল? না, এটা বিশ্বকাপ, একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্ট। এমন বিষয়ে হঠকারী বক্তব্য দেওয়া যায় না।

 

সৈয়দ আশরাফুল হকের অভিযোগ, বিসিসিআইয়ের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তার মতে, মুস্তাফিজুর রহমানের বদলে যদি লিটন দাস বা সৌম্য সরকার হতেন, তাহলে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো না।

 

তিনি আরো বলেন, ‘এটা সস্তা ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা। অপরিণত রাজনীতিবিদরা যখন ক্রিকেট চালায়, তখনই এমন হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে নির্বাচন সামনে রেখে ভোটের রাজনীতি করা হচ্ছে। আর তার খেসারত দিতে হচ্ছে বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টকে।’

 

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। মূল সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ চারটি ম্যাচ খেলবে—তিনটি কলকাতাতে এবং একটি মুম্বাইতে।

 

এখন পর্যন্ত আইসিসি বিসিবির আবেদনের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কাতে সরানো হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
 

অবশেষে ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ডা. তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক:

আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

 

আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি, ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত শুনানিতে তার দায়ের করা আপিল মঞ্জুর করা হয়। এ সময় নির্বাচন কমিশন তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

 

তাসনিম জারা প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তাসনিম জারা।  পোস্টে তিনি লিখেছেন, আপিল মঞ্জুর হয়েছে। মনোনয়ন বৈধ। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা ৯ আসনে জনগণের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছি।

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে সোমবার (৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।

 

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাসনিম জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।

 

আপিলের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চল ভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কেউ ইসিতে আপিল করতে পারবেন।


আপিল নম্বর অনুযায়ী শুনানির সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জানুয়ারি ১ থেকে ৭০, ১১ জানুয়ারি ৭১ থেকে ১৪০, ১২ জানুয়ারি ১৪১ থেকে ২১০, ১৩ জানুয়ারি ২১১ থেকে ২৮০, ১৪ জানুয়ারি ২৮১ থেকে ৩৫০, ১৫ জানুয়ারি ৩৫১ থেকে ৪২০, ১৬ জানুয়ারি ৪২১ থেকে ৪৯০, ১৭ জানুয়ারি ৪৯১ থেকে ৫৬০ এবং ১৮ জানুয়ারি ৫৬১ নম্বর থেকে অবশিষ্ট সব আপিলের শুনানি হবে।

 

শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল নির্বাচন ভবনের মনিটরে প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের ই-মেইলে রায়ের পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবনের অভ্যর্থনা ডেস্ক থেকেও রায়ের অনুলিপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০ থেকে ১২ জানুয়ারির শুনানির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে।
 

শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় তারেক রহমানের

অনলাইন ডেস্ক:
দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফেরার পর প্রথমবার দেশের শীর্ষস্থানীয় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জাতীয় গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।

 

শনিবার বেলা সোয়া ১১টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েই তারেক রহমান একে একে সম্পাদক ও সাংবাদিকদের কাছে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পুরো আয়োজনজুড়েই ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ ও খোলামেলা আলাপচারিতা।

 

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল, রেডিও, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন মাধ্যমের সম্পাদক ও শীর্ষ নির্বাহীরা অংশ নেন।

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “অনেকগুলো বছর সংগত কারণেই দলের প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের গণমাধ্যম সম্পাদক, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি দেখা সাক্ষাৎ কিংবা শুভেচ্ছা বিনিময় হয়নি। সেই অভাব থেকেই দলের পক্ষ থেকে এই আয়োজন।

 

তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে দেড় যুগ নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সপরিবারে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তাঁর মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মারা যান।

 

এই শোকের মধ্যেই দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত আসে। এর দশ দিনের মাথায় শনিবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এর পরদিনই প্রথম কর্মসূচি হিসেবে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

দলের নেতাদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ আরও সুসংহত হবে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে।
 

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। 

 

৯ জানুয়ারি, ২০২৬ শুক্রবার দলটির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়।

 

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুজনিত কারণে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। এ প্রেক্ষিতে বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী (শুক্রবার) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে শূন্য পদে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এর মাধ্যমে তিনি দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং যথাযথবাবে দায়িত্বও পালন করবেন।
 

Pic

ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘ওয়াও – উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ গ্র্যান্টস ২০২৫–২০২৬ -এর আবেদন গ্রহণ শুরু

লিঙ্গ-বৈষম্যের বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় কাজ করছেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত এমন শিল্পী এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটের শিল্প ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আবেদন করার আহ্বান

ঢাকা, ০২  নভেম্বর, ২০২৫

উইমেন অব দ্য ওয়ার্ল্ড (ওয়াও) গ্রান্টস ২০২৫ -এ আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং দেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলির জন্য দুই ধরনের গ্রান্ট প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।  শিল্প, সংস্কৃতি, লৈঙ্গিক সমতা এবং  সমকালীন সমাজের নানা বিষয় নিয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো যাবে আগামী  ১৬ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট (বাংলাদেশ সময়) পর্যন্ত। এছাড়াও আগ্রহী আবেদনকারীদের জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল একটি ইনফরমেশন ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে যা আয়োজিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর ২০২৫, বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়)। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং ওয়েবিনারে নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

 

বিশ্বজুড়েই লৈঙ্গিক সমতা অর্জন করা জরুরি এবং অর্জন সম্ভবও, এ বিশ্বাস নিয়ে কাজ করে বৈশ্বিক উদ্যোগ ‘ওয়াও-উইমেন অফ দ্য ওয়ার্ল্ড।’ ২০১৭ সালে প্রথমবারের মত বাংলাদেশে আয়োজিত হয় ওয়াও।  বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজিত এই ‘ওয়াও ফেস্টিভ্যাল’ পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সালে ঢাকায় জাতীয় উৎসব হিসেবে আয়োজিত হয়। এবারের ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৫–২০২৬’ -এর জন্য শিল্পী এবং সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনগুলোকে শিল্পমাধ্যমে অথবা সাংস্কৃতিক কাজ বা উদ্যোগের মাধ্যমে লৈঙ্গিক সমতা নিয়ে কাজ করবে এমন প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে; যেখানে এই থিমগুলির এক বা একাধিক থাকতে হবেঃ ১) চলচ্চিত্র, চলমান চিত্র ও মিডিয়া অ্যাস্থেটিকস; ২) হাইপারঅবজেক্ট মিটস হাইপারঅবজেক্ট: লৈঙ্গিক সমতা এবং জলবায়ু নিয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ; ৩) স্টেম (STE(A)M): বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, (শিল্পকলা), প্রকৌশল ও গণিত। 

 

ঘোষিত দুইটি আহবানের মধ্যে প্রথমটি হল ‘ওয়াও বাংলাদেশ কমিশন্স ২০২৫’। এই আহবান যুক্তরাজ্যে কিংবা বাংলাদেশে অবস্থানরত শিল্পী, শিল্পীদল কিংবা শিল্প-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ বারো হাজার পাউণ্ড (বাংলাদেশী টাকা সমমূল্য) অনুদান প্রদান করবে, যেন নির্বাচিতরা শিল্পকর্ম, প্রদর্শনী, পারফরমেন্স বা প্রদর্শনীমূলক কর্মসূচি তৈরি, প্রযোজনা ও উপস্থাপন করতে পারে।

 

অন্যদিকে, দ্বিতীয় আহবান ‘ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টারস ২০২৬’- শুধুমাত্র চট্টগ্রাম, ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটভিত্তিক শিল্পী সংগঠনগুলোর জন্য, যেন তারা ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে যে কোনো একদিন দিনব্যাপী ‘ওয়াও বাংলাদেশ চ্যাপ্টার’-এর আয়োজন করতে পারে। এ বিভাগে সর্বোচ্চ তেইশ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশী টাকা সমমূল্য) পর্যন্ত গ্রান্ট প্রদান করা হবে। প্রতিটি বিভাগে একাধিক গ্রান্ট প্রদান করা হবে। 

 

এই গ্রান্ট সকল সাংস্কৃতিক ও শিল্পক্ষেত্রের জন্য উন্মুক্ত। আবেদনকারীদের আহ্বান জানানো হচ্ছে তাদের যৌথ কাজের ভিত্তিতে ‘ওয়াও বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৬’ -এর নির্ধারিত বিষয় ও প্রতিপাদ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জনসাধারণের জন্য প্রদর্শনী, আলোচনা ও অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা প্রকল্পের প্রস্তাবে উল্লেখ করার।  


ওয়েবিনারে নিবন্ধন করতে, আবেদনের যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে ও আবেদন নির্দেশিকা পড়তে এবং আবেদন করতে ভিজিট করুন: https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts 


বাংলাদেশে ওয়াও এর যাত্রা সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুনঃ   https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts/wow-women-world 
 

Pic

নারী ফুটবল অঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন কামরুন্নাহার মুন্নি

টাঙ্গাইলের কামরুন্নাহার মুন্নি একজন স্কুল শিক্ষক। সেই সাথে তিনি সফল নারী ফুটবল কোচ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। 

 

মুন্নি শুধু ফুটবল প্রশিক্ষণই দেন না, বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা নিয়েও কাজ করেন। তিনি মেয়েদের খেলাধুলার মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করতে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতেও নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

সেই লক্ষ্যে ২০১০ সালে তিনি টাঙ্গাইল শহরের বেড়াডোমায় মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং মেয়েদের ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধেও কাজ করেছেন। 

 

কামরুন্নাহারকে নিয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র ৭৪তম কানচলচ্চিত্র উৎসবে বাণিজ্যিক শাখায় ‘মার্সে দ্য ফিল্ম’-এ নির্বাচিত হয়ে পুরস্কার লাভ করে। প্রামাণ্যচিত্রটির কারণে কামরুন্নাহারের বাল্যবিয়ে ঠেকানোর কথা দেশ পেরিয়ে বিশ্বের কাছে পৌঁছে গেছে।

 

মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমিতে আলাপকালে সমাজের ‘প্রতিকূল’ পরিবেশের বিরুদ্ধে ‘সংগ্রাম’ চালিয়ে যাবার গল্পই তুলে ধরেন মুন্নি।

 

কামরুন্নাহার মুন্নি জানান, সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া মেয়েদের হঠাৎ বিয়ে হয়ে যাচ্ছিল। যে বয়সে মেয়েদের লেখাপড়া আর হাসি খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সে তাদের ধরতে হচ্ছিল সংসারের হাল। নিজ ছাত্রীদের এমন পরিণতি দেখে স্কুলশিক্ষিকা কামরুন্নাহার মুন্নি তাদেও জন্য কিছু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাই বাল্যবিয়ে ঠেকানোর কৌশল হিসেবে ছাত্রীদের ফুটবল প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।

 

পেশায় শিক্ষিকা কামরুন্নাহার নারীদের ফুটবলে ‘বিপ্লব ঘটানো’ এবং ‘বাল্যবিবাহ রোধে’ সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশিক্ষণ দিয়ে এরই মধ্যে অনেক মেয়ের জীবনের গতিপথে পরিবর্তন এনেছেন। পুরুষদের পাশাপশি নারীদের ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত তিনি প্রায় ৩৮ জন নারীকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করেছেন। এই এডাডেমিতে ৪৭  জন মেয়ে ফুটবল প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এই একাডেমির ছাত্রী হিসেবে বর্তমানে বয়স ভিত্তিক ও সিনিয়র টিমে ৪ জন ফুটবলার রয়েছেন। তারা হলেন রিতু আক্তার,মারিয়াম বিনতে আন্না,আলমিনা আক্তার  ও রুপা আক্তার। বর্তমানে একাডেমির ছাত্রী সংখ্যা ৩৫ জন।

 

মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমিকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন কামরুন্নাহারের স্বামী আনোয়ার সাদাত উজ্জ্বল ও টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী মির্জা মাসুদ রুবেল।

 

মুন্নি আরও জানান, ২০১০ সালে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় স্কুলের শিশু-কিশোরদের নিয়ে নানা খেলাধূলার আয়োজন করতেন। ২০১২ সালে ‘টাঙ্গাইল প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে’ এক বছরের জন্য প্রশিক্ষণে অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে স্কুলে ফিরে গিয়ে দেখেন অনেক মেয়েই নেই, কারণ তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। 

 

কিছুদিন পর বাল্যবিয়ের শিকার এক ছাত্রীর সঙ্গে তার দেখা হয়। তার কাছ থেকে জানতে পারেন, ছোট ছোট মেয়েদের বাল্যবিয়ের ঘটনা। তখনই তিনি মেয়েদের বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন। যেহেতু বিষয়টা সামাজিক ব্যাধিতে রুপ নিয়েছে, তাই কীভাবে মেয়েদের রক্ষা করা যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করেন।

 

এক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা তার সামনে ছিলো- বিশেষ কওে সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েদেও নিয়ে যেকোন কাজ করা অনেক সময়ই কঠিন। তার উপর মেয়েদের ফুটবল খেলায় আগ্রহী কওে তোলা মানে সমাজের রেওয়াজের বিরুদ্ধে যাওয়া। তারপরও তিনি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে মেয়েদের ফুটবল শেখাতে থাকেন। সে সময় বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েদের নিয়ে ফুটবল দল গঠন করা হয়। তিনিও তার স্কুলে ফুটবল দল গঠন করেন।

 

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কামরুন্নাহার টাঙ্গাইল শহরের ‘উত্তরণ শিশু শিক্ষালয়ে’ বদলি হয়ে আসেন। এরপর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে দল গঠনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পান তিনি। এ সময় গ্রামের বিভিন্ন স্কুলের মেয়েদের ফুটবল খেলায় সম্পৃক্ত করতে থাকেন। কিন্তু দেখা যায়- অনেক পরিবার মেয়েদের খেলাধূলায় আসতে দিতে চাচ্ছে না।

 

অনেক দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা নিয়মিত টাঙ্গাইলে এসে অনুশীলনে অংশও নিতে পারে না। সেই মেয়েদের নিজের বাসায় রেখে অনুশীলন করানোর ব্যবস্থা করেন। এক পর্যায়ে ‘মোনালিসা উইমেন স্পোর্টস একাডেমি’ গঠন করেন মুন্নী। এই একাডেমিতে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের সবার থাকা-খাওয়া ও অনুশীলনের সব দায়িত্বও নিজ কাঁধে তুলে নেন।

 

শুরুর দিকে নিজের আয়ের জমানো টাকা খরচ করে মেয়েদের প্রশিক্ষণ দিতেন মুন্নী। পরে এ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ডেইলি স্টার আনসাং উইমেন্স নেশন বিল্ডার্স’ পুরস্কার লাভ করেন। সেই পুরষ্কারের দুই লাখ টাকার পুরোটাই তিনি খরচ করেছেন তার একাডেমিতে।

 

মুন্নী বলেন, ২০১৯ সালের নভেম্বরে ভূঞাপুরের সপ্তম শ্রেণীর এক মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। খবর পেয়ে মেয়েটির অভিভাবকের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাদের বুঝিয়ে মেয়েটিকে নিজের একাডেমিতে নিয়ে যান। কিছুদিন পর শোনেন বিয়ে ভেঙে গেছে। মেয়েটি পরে বিকেএসপিতে প্রমীলা ফুটবল প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ পায়।

 

কামরুন্নাহার মুন্নি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) অধীনে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) বি ডিপ্লোমা কোচেস কোর্স শেষ করেছেন। এর আগে ‘সি’ লাইসেন্স কোর্স করেছেন। বিকেএসপিতেও করেছেন কোচেস কোর্স। মুন্নীর একাডেমির মেয়েদের নিয়ে গড়া টাঙ্গাইল জেলা দল ২০২১ সালে এবং ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেণ্টে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়।

 

সর্বশেষ বাংলাদেশ গেমসে আনসারের হয়ে খেলেছেনে একাডেমির ফুটবলার সিরাত সাবরিন ও রূপা আক্তার। বাংলাদেশ গেমসে রৌপ্যজয়ী রাগবি দলের সবাই এই একাডেমির ছাত্রী । বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগওে পেয়েছেন আট নারী ক্যাডেট ফুটবলার। এ ছাড়া বিকেএসপির ফুটবলে স্বল্প মেয়াদি-দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন অন্তত ২৫ জন ছাত্রী।

 

৩৭ বছর বয়সী কামরুন্নাহার জানান, একাডেমির মেয়েরাই তার আদরের সন্তান, তাদের নিয়েই তার সব ভাবনা। মেয়েরা খেলতে চায়। কিন্তু অনেক পরিবার মেয়েদের খেলতে দিতে চায় না। তিনি মনে করেন, খেলার মাধ্যমেই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব। খেলায় যুক্ত হলে মেয়েদের মধ্যে একটা নেতৃত্ববোধ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি মনের সংকীর্ণতা দূর হয়।

 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি জানতে চাইলে কামরুন্নাহার জানান, “বাল্যবিয়ে রোধ ও এবং ফুটবল নিয়ে চলমান কাজের প্রসার ঘটাতে চাই। প্রথম যখন মেয়েদের নিয়ে ফুটবল অনুশীলন শুরু করি, তখন অনেকেই বলতেন- এটা আমার পাগলামি। ধীরে ধীরে সফলতা আসছে।” এখন অনেকেই এটাকে আর পাগলামি মনে করে না। কোনো মেয়ের শিক্ষাজীবন যেন ঝরে না যায়, কাউকে যেন বাল্যবিয়ের শিকার হতে না হয় সেজন্য আজীবন কাজ করে যেতে চাই।”

 

মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত উজ্জ্বল বলেন, সুবিধাবঞ্চিত, বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া মেয়েদের ফুটবল প্রশিক্ষণে কামরুন্নাহারের এ ইচ্ছেকে আমি সম্মান দেই। তার দৃষ্টিভঙ্গি ভালো, এটা ভালো লাগে। প্রথম প্রথম বিরক্ত হতাম। এখন আমিও উৎসাহ দেই এবং সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। তার অবসর সময়কে সে সামাজিক সচেতনতার কাজে লাগায় সেটা আমারও ভালো লাগে। আগে পাগলামি মনে হলেও এখন সেটা, মনে হয় না। কারণ অনেক মেয়ে বাল্যবিবাহ থেকে মুক্ত হচ্ছে তার চেষ্টায়।

 

একাডেমির সভাপতি মির্জা মাসুদ রুবেল বলেন, কামরুন্নাহার সাধারণ জীবন-যাপনের বাইরে ভিন্নভাবে সমাজকে নিয়ে ভাবে। সে মেয়েদের আত্মপ্রত্যয়ী হতে এবং তাদের শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে কাজ করছে। বাল্য বিবাহের মতো সামাজিক সমস্যা রোধে তার এই উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুপ্রেরণামূলক মনে করি।
 

Pic

তারুণ্য ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কফি পান সহায়ক হতে পারে!

টাঙ্গাইল দর্পণ লাইফস্টাইল ডেস্ক:
সারা বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়গুলোর মধ্যে কফি অন্যতম। প্রতিদিন মানুষের মধ্যে কফি খাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

 

ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশন অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০ বিলিয়ন কিলোগ্রাম কফি পান করা হয়। কফির রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্যগুণও।

 

সম্প্রতি গবেষণায় উঠে এসেছে নারীরা নিয়মিত কফি পান করলে তারুণ্য ধরে রাখে। শরীর-মন থাকবে তরতাজা। এমনই চমকে দেওয়া তথ্য দিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন কফি পানের অভ্যাস নারীদের দীর্ঘায়ু এবং সুস্থ বার্ধক্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 

 

বিগত ৩০ বছর ধরে প্রায় ৫০ হাজার নারীর উপরে এই গবেষণায় চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৫০ বছর বয়সে প্রতিদিন এক থেকে তিন কাপ ক্যাফেইনযুক্ত কফি পানকারী নারীরা বার্ধক্যে অনেকটা সুস্থ ছিলেন। তারা বড় কোনো অসুস্থতা ছাড়াই ছিলেন শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সুস্থ। কফি মস্তিষ্কের তীক্ষ্নতা, মনের জোর বাড়ায়, দীর্ঘস্থায়ী একাধিক জটিল রোগ থেকে দূরে রাখে।

 

৬০ বছর বা তার বেশি বয়সে কোনো গুরুতর দীর্ঘস্থায়ী রোগ, স্মৃতিশক্তির সমস্যা বা শারীরিক অক্ষমতা ছাড়াই জীবনযাপন করতে পেরেছেন এই নারীরা। কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকোষের ক্ষতি এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ক্যাফেইন ছাড়াও কফিতে থাকা অন্যান্য বায়োঅ্যাক্টিভ সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

 

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, কফির এই উপকারিতা শুধু ক্যাফেইনযুক্ত কফির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। চা, ডিক্যাফ কফি বা কোলা জাতীয় অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়তে এই উপকার পাওয়া যায়নি। বরং কোলা বা সফট ড্রিংক বেশি পান করলে সুস্থ বার্ধক্যের সম্ভাবনা হ্রাস পায়। কফিতে থাকা ক্যাফেইন বার্ধক্য রোধ করার পাশাপাশি কোষের ক্ষতি হওয়া আটকাতে সহায়তা করে। ডিএনএ মেরামত করে স্ট্রেস প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন কফি খেলে মেজাজ উন্নত হয় এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। বিষণ্নতা বা অ্যালজাইমার রোগের মতো রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

 

এছাড়া ফ্যাটি লিভার, লিভার ফাইব্রোসিস, লিভার সিরোসিস এবং লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। টিউলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লু কিও মনে করেন, সকালের দিকে কফি পান করা স্বাস্থ্যকর হতে পারে, তবে দিনের অন্যান্য সময় কফি পান করলে সুফল কমে যেতে পারে।

 

কফি থেকে দূর থাকবেন যারা
উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, উদ্বেগ বা ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাদের অবশ্যই কফি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন এই সমস্যাগুলো বাড়াতে পারে।
 

Pic

বয়স বাড়লেও সুস্থ জীবন চান? ৫০-এর পর এই ৫ নিয়ম মেনে চলুন 

টাঙ্গাইল দর্পণ লাইফস্টাইল ডেস্ক:

বর্তমান সময়ে ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকা যেন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। মানসিক চাপ, ভেজাল খাদ্য ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন সব মিলিয়ে শরীর ও মনের উপর পড়ছে প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব। তবে প্রতিদিনের রুটিনে কিছু সহজ অভ্যাস যোগ করলেই দীর্ঘদিন সুস্থ জীবনধারণ করা সম্ভব।

 

কম-চাপের নিয়মিত ব্যায়াম করুন
বয়স ৫০ এর পর ভারী ব্যায়াম না করে সাঁতার, নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম ও তাই চির মতো ধীর-গতির অনুশীলন উপকারী। এতে করে মাংসপেশি সক্রিয় থাকে, জয়েন্টে চাপ পড়ে না এবং মানসিক চাপও অনেক হ্রাস পায়।

 

সমাজ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকুন
সমাজচ্যুতি ও একাকীত্ব... মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, কমিউনিটি প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া এবং স্বেচ্ছাসেবী কাজে যুক্ত থাকা মস্তিষ্ককে সচল রাখে।

 

প্রতিদিন মানসিক ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন একটি ক্রসওয়ার্ড বা পাজল করলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানসিক চর্চা স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তাশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

 

ধূমপানের অভ্যাস পরিত্যাগ করুন
ধূমপান থেকে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকগুণ বেড়ে যায়। এখনই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করলে শারীরিক সক্ষমতা বাড়বে এবং আয়ু দীর্ঘ হবে।

 

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস করুন
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাংসপেশি কমে যায়। ডিম, মাছ, বাদাম, দুধ ও লিন মাংস ও মুরগি -এই উপাদানগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে শরীর শক্তিশালী থাকবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
 

Logo

সম্পাদক : আবু তাহের

© ২০১৪-২০২৫ টাঙ্গাইল দর্পণ, অনলাইন নিউজ পেপার ২৪/৭